Murshidabad: 'আজ ওঁদের জন্য বাড়ি ফিরে যাচ্ছি', ক্রিয়েটিন ৭.0 উপরে, অক্সিজেন স্যাচুরেশন ১০, থাকার কথা ৯৫! 'জাদুবলে' অঙ্কিতাকে সুস্থ করে বাড়ি ফেরাল কান্দির হাসপাতাল | Kandi Sub Divisional Hospital Saves Ankita Das with Ventilator Support and Dialysis - 24 Ghanta Bangla News
Home

Murshidabad: ‘আজ ওঁদের জন্য বাড়ি ফিরে যাচ্ছি’, ক্রিয়েটিন ৭.0 উপরে, অক্সিজেন স্যাচুরেশন ১০, থাকার কথা ৯৫! ‘জাদুবলে’ অঙ্কিতাকে সুস্থ করে বাড়ি ফেরাল কান্দির হাসপাতাল | Kandi Sub Divisional Hospital Saves Ankita Das with Ventilator Support and Dialysis

Spread the love

মুর্শিদাবাদ: কিডনির বিরল রোগে আক্রান্ত, কান্দি মহকুমা হাসপাতালে ভেন্টিলেশন সার্পোটে শুরু ডায়লাসিস। মৃত্যুর মুখ থেকে বাড়ি ফিরলেন অঙ্কিতা।কিডনির বিরল রোগে আক্রান্ত, তার সঙ্গে শুরু হয়েছিল শ্বাসকষ্ট। অবশেষে কান্দি মহকুমা হাসপাতালের CCU HDU বিভাগে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা প্রথমে জবাব দিয়ে দেন। আর তারপরেই শুরু হয় চিকিৎসা। মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এলেন কান্দি শহর নিবাসী অঙ্কিতা দাস। রাজ্যে সরকার পালা বদলের পড়েই সরকারি হাসপাতালের উপর চিকিৎসা জোর দিয়েছিলেন রাজ্যের স্বাস্থ্য মন্ত্রী চিকিৎসক শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। সরকারি হাসপাতালে রেফার আগেই বন্ধ আগেই করা হয়।

এবার মহকুমা হাসপাতালে বিরল রোগে আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসা সুস্থ হয়ে মৃত্যুর মুখ থেকে বাড়ি ফিরলেন অঙ্কিতা দাস। অঙ্কিতার পরিবার সুত্রে জানা গিয়েছে, ২০১২ সাল থেকে হঠাৎই কিডনির রোগে আক্রান্ত হন। ২০১৪ সালে আইনি জটিলতা কাটিয়ে কিডনি প্রতিস্থাপন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে অঙ্কিতার মা স্নিগ্ধা দাস ঘোষ তিনি একটি কিডনি দিয়েছিলেন, তারপরেই একটি কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয়। কিন্তু হঠাৎই গত কয়েকদিন আগে যখন সকলেই উৎসবে মেতে উঠেছিলেন তখন শ্বাসকষ্ট শুরু হয় অঙ্কিতার। হঠাৎই নেমে যায় অক্সিজেন স্যাচুয়েশন লেভেল।

চিকিৎসকেরা প্রথমে জানান, হার্টফেল হয়ে যায়, অক্সিজেন স্যাচুরেশন কমে যায় ১০-১২। যা থাকার কথা ৯৫ উপরে। এছাড়াও ক্রিয়েটিন পৌঁছে গিয়েছিল ৭.0 উপরে। তখনই ভর্তি করা হয় কান্দি মহকুমা হাসপাতালের CCU HDU বিভাগ। কর্তব্যরত কয়েকজন চিকিৎসক ও নার্স দিন রাত এক করে যুদ্ধ শুরু হয়।

অক্সিজেন স্যাচুয়েশন লেভেল স্বাভাবিক হলে ভেন্টিলেশন সার্পোটে শুরু হয় ডায়লাসিস, যা মহকুমা হাসপাতালে পরিষেবা মেলে না এমনকি অনেক নামি বেসরকারি হাসপাতালে দেওয়া হয় না এই পরিষেবা। অবশেষে টানা দশ দিন ধরে চিকিৎসা চলার পর সোমবার দুপুরে হাসিমুখে বাড়ি ফিরলেন অঙ্কিতা দাস। বললেন, “আজ আমি কী বলব! যখন হাসপাতালে এসেছিলাম, তখন তো জ্ঞানই ছিল না। ভেন্টিলেশনেই সমস্তটা হয়েছে। দাদা-দিদিরা, ডাক্তারবাবুরা খুব সাহায্য করেছে। আজ ওঁদের জন্য বাড়ি ফিরে যাচ্ছি।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *