CAA প্রক্রিয়ায় গতি আনতে ১২ আইএএস আধিকারিককে দায়িত্ব দিল নবান্ন

কলকাতা: CAA-তে নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া দ্রুত করতে উত্তর ২৪ পরগনা ও নদিয়ায় ১২ জন IAS প্রবেশনার আধিকারিককে নিয়োগ করল নবান্ন। সোমবার রাজ্যের কর্মিবর্গ ও প্রশাসনিক…
কলকাতা: CAA-তে নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া দ্রুত করতে উত্তর ২৪ পরগনা ও নদিয়ায় ১২ জন IAS প্রবেশনার আধিকারিককে নিয়োগ করল নবান্ন। সোমবার রাজ্যের কর্মিবর্গ ও প্রশাসনিক সংস্কার দফতরের তরফে এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। আগামী দু’মাস সংশ্লিষ্ট দুই জেলায় কাজ করবেন তাঁরা। CAA-র আবেদন যাচাই, নথিপত্র পরীক্ষা এবং শুনানির প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করতে জেলা প্রশাসনকে সহযোগিতা করবেন এই আধিকারিকরা।
উল্লেখ্য, রবিবার ঠাকুরনগরে একটি সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী CAA-র মাধ্যমে নাগরিকত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে ৩১ ডিসেম্বরের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলেন। তাঁর ঘোষণা অনুযায়ী, রাজ্যের প্রায় আড়াই লক্ষ মতুয়া ও শরণার্থী আবেদনকারীর শুনানি সম্পন্ন করে নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া শেষ করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
উত্তর ২৪ পরগনা ও নদিয়ায় ৬ জন করে আধিকারিক
নবান্নের নির্দেশ অনুযায়ী, ১২ জন IAS প্রবেশনার আধিকারিককে দুই জেলায় ভাগ করে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
উত্তর ২৪ পরগনায় দায়িত্ব পেয়েছেন রোমিল দ্বিবেদী, মুদিতা বনসল, রাভুলা জয়সিমহা রেড্ডি, তেজস্বা, স্বামী সুনীল রামলিং এবং রজত যাদব।
অন্যদিকে, নদিয়ায় কাজ করবেন রিতিকা রাঠ, চৌগুলে অদিতি সঞ্জয়, অভিষেক চৌধুরী, মেঘনা চক্রবর্তী, সক্ষম ভাটিয়া এবং হিমাংশু ভাস্কর।
এই আধিকারিকদের মূল দায়িত্ব হবে সংশ্লিষ্ট জেলার প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে CAA-র আবেদনগুলির প্রক্রিয়াকরণ দ্রুত করা। বিশেষ করে আবেদনকারীদের নথিপত্র যাচাই এবং শুনানির কাজের উপর নজর দেওয়া হবে।
৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে আড়াই লক্ষ আবেদনকারীর নাগরিকত্বের লক্ষ্য
রবিবার ঠাকুরনগরের সভায় মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, এখনও পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ২৫ হাজার আবেদনকারী CAA-র মাধ্যমে নাগরিকত্ব পেয়েছেন। এই প্রক্রিয়া আরও দ্রুত করার আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে আড়াই লক্ষ আবেদনকারীর শুনানি সম্পন্ন করে নাগরিকত্ব দেওয়ার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। CAA-তে নাগরিকত্ব পাওয়ার পর যোগ্য তফসিলি জাতিভুক্ত আবেদনকারীদের SC শংসাপত্র দেওয়ার কথাও ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।
মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পরের দিনই ১২ জন IAS প্রবেশনার আধিকারিককে দুই জেলায় পাঠানোর সিদ্ধান্তকে নাগরিকত্বের আবেদন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার প্রশাসনিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। আগামী দু’মাস তাঁদের কাজের উপর বিশেষ নজর থাকবে।