১৭৭ বছর ধরে পূজিতা হন শ্মশানকালী।
পুজোর দিনে কয়েক হাজার ভক্ত ফুলমালা, কাপড় দিয়ে মায়ের পুজো করেন। পুজোর পরের দিন দানের সমস্ত কাপড় সাধারণ মানুষের মধ্যে বিলি করা হয়। পুজো কমিটির অছি পরিষদের সভাপতি আলোকরঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘শ্মশানকালীর পুজোকে ঘিরে মানুষের মধ্যে ধর্মীয় ভাবাবেগের অন্ত নেই। লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাগম হয় পুজো ঘিরে। এক সময়ে বিরাট জলসা হতো জলকল মাঠে। সেখানে ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়, গুরুদাস, মলিনা দেবী, শ্যামল মিত্র থেকে মানবেন্দ্র, ধনুঞ্জয়ের মতো প্রবাদপ্রতিম শিল্পীরা সঙ্গীত শুনিয়েছেন।’ পুজো কমিটির অছি পরিষদের সম্পাদক প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘এবারে ৭ তারিখ, শনিবার পুজোর উদ্বোধন করবেন গুড়াপ রামকৃষ্ণ মিশনের সচিব স্বামী নিরন্তরানন্দজি মহারাজ। ওই দিন শ্যামা সঙ্গীত ও ভক্তিগীতি শোনাবেন শিল্পী সঞ্চারী গোস্বামী ও শ্রুতি গোস্বামী।’ পুজো কমিটির সম্পাদক প্রকাশ চক্রবর্তী বলেন, ‘মা শশ্মানকালী আমাদের একটা ঐতিহ্য। হাওড়া, হুগলি, বর্ধমান ও দুই ২৪ পরগনা থেকে মানুষ ভিড় করত। তখন এত পুজোর প্রচলন ছিল না। ১৫০ বছর আগের কথা ভাবলেই ছবিটা পরিষ্কার হবে। এখন নতুনরা দায়িত্ব নিয়েছে।’