Mahadev Betting App Case: মহাদেব বেটিং অ্যাপ মামলায় বড় সাফল্য, এবার কী করবে সিবিআই? | Mahadev Betting App Kingpin Sourabh Chandrakar Extradited from Oman to India - 24 Ghanta Bangla News
Home

Mahadev Betting App Case: মহাদেব বেটিং অ্যাপ মামলায় বড় সাফল্য, এবার কী করবে সিবিআই? | Mahadev Betting App Kingpin Sourabh Chandrakar Extradited from Oman to India

Spread the love

মহাদেব বেটিং অ্যাপ মামলার মূল অভিযুক্ত সৌরভ চন্দ্রকরকে আনা হল ভারতেImage Credit: TV9 Bharatvarsh

নয়াদিল্লি: ‘মহাদেব’ অ্যাপের মাধ্যমে দেশজুড়ে অবৈধ অনলাইন বেটিং চালানোর অভিযোগ। এবার সিবিআইয়ের জালে অবৈধ সেই বেটিং চক্রের মূল মাথা সৌরভ চন্দ্রকর। তাঁকে ওমান থেকে ভারতে ফিরিয়ে আনল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (CBI)। সিবিআইয়ের একটি বিশেষ দল মাসকাটে গিয়ে চন্দ্রকরকে ভারতে নিয়ে আসে। সোমবার তাঁকে ছত্তীসগঢ়ের রায়পুরের সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে পেশ করা হবে। চন্দ্রকরকে ভারতে ফিরিয়ে আনার পর এই মামলায় কোন কোন গোপন তথ্য সামনে আসবে, তা নিয়ে জল্পনা বাড়ছে।

সিবিআইয়ের দায়ের করা দু’টি মামলায় অভিযুক্ত চন্দ্রকর। ওই দু’টি মামলাতেই চার্জশিট জমা পড়েছে। এ ছাড়াও এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ED) একটি পৃথক মামলাতেও তাঁর বিরুদ্ধে প্রসিকিউশন কমপ্লেন্ট জমা দেওয়া হয়েছে। সিবিআইয়ের দাবি, তদন্তে উঠে এসেছে, মহাদেব অনলাইন বুক অ্যাপ দেশের বৃহত্তম অবৈধ অনলাইন বেটিং চক্রগুলির অন্যতম। ভারতের বাইরে থেকে এই চক্র পরিচালিত হত বলে অভিযোগ।

ক্রিকেট, ফুটবল, তাস খেলা-সহ বিভিন্ন ইভেন্টে বেটিংয়ের সুযোগ করে দিত এই প্ল্যাটফর্ম। গোটা দেশে ছড়িয়ে থাকা একাধিক ফ্র্যাঞ্চাইজি প্যানেল ও শাখার মাধ্যমে এই কাজ চলত। ওই শাখাগুলি নতুন গ্রাহক যুক্ত করত এবং বেটিংয়ের টাকা সংগ্রহ করত। তদন্তকারীরা আরও জানতে পেরেছেন, অবৈধ বেটিং থেকে পাওয়া টাকা একাধিক ‘মিউল’ ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে লেনদেন করা হত। বিভিন্ন স্তরে একাধিক লেনদেনের পর হাওয়ালা চ্যানেলের মাধ্যমে সেই টাকা বিদেশে পাঠানো হত।  সরকারি কর্মীদের একাংশকে প্রভাবিত করে চক্রের কাজ নির্বিঘ্নে চালানোর জন্য ওই অর্থের একটি অংশ ঘুষ হিসেবেও দেওয়া হত বলে অভিযোগ।

ছত্তীসগঢ় সরকারের আবেদনের ভিত্তিতে এই মামলার তদন্তভার নেয় সিবিআই। দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৮৮-সহ অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, প্রতারণা ও জালিয়াতি সংক্রান্ত বিভিন্ন ধারায় চার্জশিট জমা দিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। পাশাপাশি ছত্তীসগঢ় জুয়া (নিষিদ্ধকরণ) আইনের ধারাও যুক্ত করা হয়েছে। চার্জশিটে নাম রয়েছে অন্যতম অভিযুক্ত চন্দ্রকরের। এই মামলার তদন্তে ভারত ও বিদেশে থাকা একাধিক সম্পত্তিও বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি।

চন্দ্রকরের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের রেড কর্নার নোটিস জারি হওয়ার পর তাঁকে আটক করে রয়্যাল ওমান পুলিশ। এরপর সিবিআই ও ইডি তদন্তে পাওয়া প্রমাণ-সহ ওমানের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যর্পণের আবেদন জানায়। কেন্দ্রীয় একাধিক তদন্তকারী সংস্থা, ইন্টারপোলের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো এবং ওমানের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় রেখে প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। ওমানের তরফে প্রত্যর্পণের অনুমোদন মেলার পর বিশেষ দায়িত্বপ্রাপ্ত সিবিআই দল মাসকাটে গিয়ে চন্দ্রকরকে ভারতে ফিরিয়ে আনে।

এই প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়ায় সহযোগিতার জন্য ওমান সরকার এবং রয়্যাল ওমান পুলিশকে ধন্যবাদ জানিয়েছে সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার মতে, আন্তর্জাতিক স্তরে অপরাধমূলক চক্র চালানোর অভিযোগে অভিযুক্ত পলাতকদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের কাঠগড়ায় তোলার ক্ষেত্রে এটি ভারতের প্রচেষ্টার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *