২০২৭-এর প্রথমেই বাণিজ্যিক রকেট উৎক্ষেপণ! মহাকাশে নতুন ইতিহাস গড়বে স্কাইরুট - 24 Ghanta Bangla News
Home

২০২৭-এর প্রথমেই বাণিজ্যিক রকেট উৎক্ষেপণ! মহাকাশে নতুন ইতিহাস গড়বে স্কাইরুট

Spread the love

হায়দরাবাদভিত্তিক বেসরকারি মহাকাশ সংস্থা স্কাইরুট অ্যারোস্পেস ( Skyroot )আগামী বছরের প্রথম প্রান্তিকে বাণিজ্যিক উৎক্ষেপণ কার্যক্রম শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। কোম্পানির সহ-প্রতিষ্ঠাতা নাগা ভারত ডাকা এই…

হায়দরাবাদভিত্তিক বেসরকারি মহাকাশ সংস্থা স্কাইরুট অ্যারোস্পেস ( Skyroot )আগামী বছরের প্রথম প্রান্তিকে বাণিজ্যিক উৎক্ষেপণ কার্যক্রম শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। কোম্পানির সহ-প্রতিষ্ঠাতা নাগা ভারত ডাকা এই তথ্য জানিয়েছেন।

স্কাইরুটের ভিক্রম-১ রকেটের প্রথম কক্ষপথ মিশন সফল হওয়ার পর এই পরিকল্পনা আরও জোরালো হয়েছে। গত জুলাইয়ে ভিক্রম-১ সফলভাবে কক্ষপথে পৌঁছায়। এটি ভারতের প্রথম বেসরকারি রকেট যা কক্ষপথ স্পর্শ করেছে। এখন কোম্পানি বাণিজ্যিক পরিষেবা শুরু করতে চায়।

আরও দেখুনঃ তারেক ভারতে না এলে গঙ্গার জল বন্টনে অনিশ্চয়তা স্পষ্ট করল মোদী সরকার

২০২৭ সালের প্রথম তিন মাসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক উৎক্ষেপণ শুরু করার লক্ষ্য রয়েছে। এর আগে চলতি বছরের শেষ দিকে আরও একটি পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা আছে। প্রথম মিশনের তথ্য বিশ্লেষণ করে উন্নতি আনা হবে। তারপর নিয়মিত বাণিজ্যিক মিশন শুরু হবে।

স্কাইরুট ছোট উপগ্রহ উৎক্ষেপণের বাজারে মনোযোগ দিচ্ছে। ( Skyroot )বিশ্বজুড়ে এই ধরনের চাহিদা বাড়ছে। কোম্পানি আন্তর্জাতিক গ্রাহকদের সঙ্গে চুক্তিও করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের রিফ্লেক্স অরবিটালের সঙ্গে দুটি এবং হেক্স২০-এর সঙ্গে তিনটি উৎক্ষেপণের চুক্তি হয়েছে। দেশীয় ও বিদেশি উভয় বাজার থেকে আগ্রহ দেখা যাচ্ছে।

কোম্পানির লক্ষ্য ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ মাসে অন্তত একটি উৎক্ষেপণের সক্ষমতা অর্জন করা। ভিক্রম-১ দিয়ে শুরু করে পরে ভিক্রম-২-এর দিকে এগোবে। ভিক্রম-২-এর পেলোড ক্ষমতা আরও বেশি হবে। এটি ২০২৭ সালের শেষ দিকে উৎক্ষেপণের লক্ষ্য রয়েছে।

স্কাইরুট হায়দরাবাদে নিজস্ব ক্যাম্পাস গড়ে তুলেছে। সেখানে রকেট তৈরির কাজ চলছে। ভারতীয় মহাকাশ খাতে বেসরকারি অংশগ্রহণ বাড়ানোর ক্ষেত্রে এই পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ। ইসরোর পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থাগুলো এখন সক্রিয় ভূমিকা নিতে শুরু করেছে।

বাণিজ্যিক উৎক্ষেপণ শুরু হলে ভারতের মহাকাশ অর্থনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ হবে। ছোট উপগ্রহ পরিষেবার চাহিদা মেটাতে স্কাইরুট একটি গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হয়ে উঠতে পারে। আন্তর্জাতিক বাজারেও ভারতীয় সংস্থার উপস্থিতি বাড়বে।

কোম্পানি বলছে, বাজারের চাহিদা নিয়ে সমস্যা নেই। মূল চ্যালেঞ্জ হল সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা। ধাপে ধাপে উন্নতি করে নিয়মিত উৎক্ষেপণের দিকে এগোচ্ছে তারা। ভিক্রম-১-এর সফলতা ইতিমধ্যেই আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে।

২০২৭ সালের প্রথম প্রান্তিক থেকে বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হলে স্কাইরুট ( Skyroot )ভারতের মহাকাশ ইতিহাসে নতুন অধ্যায় রচনা করবে। বেসরকারি উদ্যোগে নিয়মিত উপগ্রহ উৎক্ষেপণের পথ সুগম হবে। বিশ্বের ছোট লঞ্চ ভেহিকেল বাজারে ভারতের অবস্থান শক্তিশালী হতে পারে।

এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে হায়দরাবাদ মহাকাশ প্রযুক্তির কেন্দ্র হিসেবে আরও পরিচিতি পাবে। স্কাইরুটের পদক্ষেপ অন্যান্য স্টার্টআপকেও উৎসাহিত করবে। মহাকাশ খাতে ভারতের আত্মনির্ভরশীলতা আরও বাড়বে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *