তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের আশঙ্কা? কেন ৭২ ঘণ্টার জন্য জরুরি রসদ মজুত রাখতে বলছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ?
কেন বাড়ছে এই সতর্কতা?
এর পিছনে রয়েছে একাধিক কারণ। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব, বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোয় সাইবার হামলার আশঙ্কা, নাশকতা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ—সব মিলিয়ে জরুরি পরিষেবা যে কোনও সময় সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে উদ্ধারকারী দল বা প্রশাসনের সাহায্য পৌঁছতেও অনেকটা সময় লাগতে পারে। তাই প্রথম তিন দিন নিজেদের সামলে রাখার মতো প্রস্তুতি থাকলে বিপদের সঙ্গে মোকাবিলা করা অনেকটা সহজ হবে বলে মনে করছে বিভিন্ন দেশের সরকার।
পাশাপাশি প্রযুক্তিবিদদের মতে, সাইবার হ্যাকাররা এখন কোনও দেশের গুরুত্বপূর্ণ ওয়েবসাইট, সিস্টেম হ্যাক করে তথ্য চুরি করার থেকেও একধাপ এগিয়ে ভাবছে। দেশের নাগরিক জরুরি ব্যবহারের জিনিস, খাবারের মতো সামগ্রীকে নষ্ট করে দিয়ে সেখানকার পরিকাঠামোকে পঙ্গু করে দিতে চাইছে হ্যাকাররা, এমনটাই মনে করছেন প্রযুক্তিবিদদের একাংশ।
বাড়িতে কী কী মজুত রাখা হচ্ছে?
জরুরি পরিস্থিতির জন্য পানীয় জল, শুকনো খাবার, প্রয়োজনীয় ওষুধ, ফার্স্ট এইড কিট, টর্চ, ব্যাটারি, পাওয়ার ব্যাঙ্ক, কিছু নগদ টাকা এবং জরুরি ফোন নম্বর লিখে রাখা দরকার। পরিবারের শিশু, বয়স্ক সদস্য বা পোষ্য থাকলে তাঁদের জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীও রাখতে হবে। তবে ৭২ ঘণ্টার প্রস্তুতির পরামর্শ কোনও আসন্ন বিপদের পূর্বাভাস নয়। বরং বিপর্যয়ের সময় আতঙ্কিত না হয়ে পরিস্থিতি সামলানোর জন্য আগাম পরিকল্পনা।