নির্বাচনের আগেই যোগী রাজ্যে বাজেয়াপ্ত অবৈধ অস্ত্র কারখানা - 24 Ghanta Bangla News
Home

নির্বাচনের আগেই যোগী রাজ্যে বাজেয়াপ্ত অবৈধ অস্ত্র কারখানা

Spread the love

লখনউ: উত্তর প্রদেশের মেরঠে পুলিস এক অবৈধ অস্ত্র কারখানা বাজেয়াপ্ত করেছে। (illegal arms)উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই অভিযানকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। পুলিস…

লখনউ: উত্তর প্রদেশের মেরঠে পুলিস এক অবৈধ অস্ত্র কারখানা বাজেয়াপ্ত করেছে। (illegal arms)উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই অভিযানকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। পুলিস চারজনকে গ্রেফতার করেছে। তাঁদের নাম সলিমুদ্দিন, মেরাজুদ্দিন, সারুন ও রশিদ। তাঁদের কাছ থেকে তৈরি ও আধা তৈরি পিস্তল এবং অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

পুলিসের তথ্য অনুযায়ী, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। (illegal arms)এক জায়গায় অস্ত্র কেনাবেচার কথা শুনে পুলিস পৌঁছায়। সেখানে দুই সন্দেহভাজন পুলিসের ওপর গুলি চালায়। পরে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়। তাঁদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ইনচোলি এলাকার আশিয়ানা কলোনিতে একটি বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। সেখানে অবৈধ অস্ত্র তৈরির কারখানা উদ্ধার হয় এবং বাকি আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়।

আরও দেখুনঃ যোগী রাজ্যে লাভ জিহাদ! হিন্দু ছেলেকে বিয়ে করায় দাদার হাতে খুন মুসলিম যুবতী

অভিযানে ছয়টি তৈরি পিস্তল এবং এগারোটি আধা তৈরি পিস্তল পাওয়া যায়। এর সঙ্গে অস্ত্র তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জামও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। পুলিস জানিয়েছে, আসামিদের মধ্যে কয়েকজনের আগে থেকেই ফৌজদারি মামলা রয়েছে। একজনের বিরুদ্ধে খুনের মামলাও আছে বলে জানা গেছে।

এই অভিযান নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। উত্তর প্রদেশে নির্বাচনের আগে প্রায়ই অবৈধ অস্ত্রের কারবারের ঘটনা সামনে আসে। পুলিস বলছে, এ ধরনের কারখানা ভেঙে দেওয়া হলে অপরাধী চক্রের সরবরাহ ব্যবস্থা দুর্বল হয়। স্থানীয় প্রশাসন নির্বাচনী প্রস্তুতির অংশ হিসেবে কঠোর নজরদারি চালাচ্ছে।

মেরঠ পুলিসের এই সাফল্যকে প্রশংসা করা হচ্ছে। এসএসপি জানিয়েছেন, তথ্যের ভিত্তিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তাঁদের মাধ্যমে আরও কোনো সংযোগ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিস সতর্ক করেছে যে অবৈধ অস্ত্র তৈরি ও সরবরাহের সঙ্গে জড়িতরা কঠোর আইনের মুখোমুখি হবেন।

এ ধরনের ঘটনা সমাজে উদ্বেগ তৈরি করে। (illegal arms)অবৈধ অস্ত্র সহজে পাওয়া গেলে অপরাধ বাড়তে পারে। নির্বাচনের সময় এমন অস্ত্র ব্যবহারের আশঙ্কাও থাকে। তাই পুলিসের এই অভিযান সময়োপযোগী বলে মনে করা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারাও স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তাঁরা বলছেন, এ ধরনের কার্যক্রম চলতে থাকলে এলাকায় নিরাপত্তা বাড়বে।

পুলিস আরও জানিয়েছে, আসামিরা দেশীয় পদ্ধতিতে অস্ত্র তৈরি করত এবং তা বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করত। তবে বিস্তারিত তদন্ত চলছে। মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং আসামিদের আদালতে তোলা হবে। নির্বাচনের আগে এ ধরনের আরও অভিযান চালানো হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে প্রশাসন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *