Gaighata News: ‘মেয়েকে তো আর ফিরে পাব না, আমার কোল যেমন শূন্য করে দিয়েছে, ওদেরও…এটাই চেয়েছিলাম’, এনকাউন্টারের ঘটনায় বললেন নির্যাতিতার মা | Gaighata Case: Victim’s Parents React After Accused Prahlad Das died in Police Encounter
কী বলছেন নির্যাতিতার মা?Image Credit: Tv9 Bangla
গাইঘাটা: গাইঘাটার এনকাউন্টারের ঘটনায় খুশি নির্যাতিতার মা-বাবা। একমাত্র মেয়েকে হারিয়ে স্বাভাবিকভাবেই শোকে পাথর তাঁরা। নির্যাতিতার মা জানাচ্ছেন, কোনওদিন মেয়েকে ফিরে পাবেন না তাঁরা। কিন্তু, দোষীর কড়া শাস্তি হোক, এটাই চেয়েছিলেন তাঁরা। একই বক্তব্য বাবারও। পুলিশের কাজে তিনি খুশি। তাঁর কথায়, ‘যা হয়েছে, ভালো হয়েছে’। কিন্তু কেন প্রহ্লাদ এই কাজ করল বুঝতে পারছেন না তাঁরা। কোনও আঁচ কি পেয়েছিলেন আগে?
নাবালিকার মায়ের দাবি, “প্রহ্লাদ দাস পরিচিত লোক। ভাইয়ের বউয়ের দিদির ছেলে। বাড়িতে কোনও অনুষ্ঠান হলে নিমন্ত্রণ করা হয়। আসা-যাওয়া আছে। সেলুনে কাজ করত। মেয়ে খুব নরম, ভদ্র। পড়াশোনা করত। কী করে প্রহ্লাদ এরকম করল। কিছুই আঁচ করতে পারিনি যে এর মধ্যে এই করছে।”
ঠিক কী ঘটেছিল সেদিন? সেই বিষয়ে নাবালিকার মা বলেন, “মেলাতে গিয়েছিলাম। সন্ধে সাতটা নাগাদ গিয়েছিলাম। ও আটটা-সাড়ে আটটা নাগাদ গিয়েছিল বান্ধবীর সঙ্গে। তারপর আর ফেরেনি। ফোন করছিলাম। বলছে বিজি। কখনও বলছে নেটওয়ার্কের বাইরে। মেয়েকে পাচ্ছি না সেটা আমি ঘরে জানাইনি। এটা আমার ভুল। পরের দিন মৃতদেহ পাওয়া গেল।”
এনকাউন্টার প্রসঙ্গে নির্যাতিতার মা বলেন, “আমার মেয়ে কে তো খুঁজে পাব না। আমার কোল যেমন শূন্য করে নিয়ে গিয়েছে। ওদের কোলও যেন শূন্য হয়ে যায়। সেটাই চেয়েছিলাম। সেটাই হয়েছে। পুলিশের কাজে খুশি।”
গাইঘাটায় ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা
গত রবিবার সকালে গাইঘাটা থানা এলাকার একটি বাড়ির পিছন থেকে নাবালিকার অর্ধনগ্ন মৃতদেহ উদ্ধার হয়। নাবালিকার মা অভিযোগ করেছিলেন, শনিবার রাতে মেয়েকে নিয়ে স্থানীয় একটি অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন। মেয়ে বান্ধবীদের সঙ্গে ঘোরাঘুরি করছিল। কিন্তু, কিছুক্ষণ পর থেকে তার আর খোঁজ পাননি। তারপরই রবিবার সকালে নাবালিকার দেহ উদ্ধার হয়। তারপর রবিবার রাতেই প্রহ্লাদকে গ্রেফতার করে পুলিশ।