আদিবাসী পরিবারের মেয়ের ডাক্তার হওয়ার লড়াইকে কুর্নিশ
ইউটিউব আর জেদে ভর করে সর্বভারতীয় ডাক্তারি প্রবেশিকা পরীক্ষায় (নিট) সাফল্য, বাবলির মুখে লড়াইয়ের গল্পটা আরও স্পষ্ট। সে বলে, ‘দশম শ্রেণি পর্যন্ত জানতামই না নিট বা জয়েন্ট কী জিনিস। গ্রামের পাটকাপাড়া হাইস্কুলে পড়েছি, তার পরে জিৎপুর হাইস্কুলে ইলেভেন-টুয়েলভ। দুটোই গ্রামের স্কুল। কোনও বড় কোচিং ছিল না। বাড়িতে বসে নিজে নিজে পড়েছি। ইউটিউবে ভিডিয়ো দেখেছি। অনেক দিন এমন গিয়েছে, একটা প্রশ্নের উত্তরই মেলাতে পারিনি। কান্না পেয়েছে, মনে হয়েছে পারব না। কিন্তু থামিনি। রোজ চেষ্টা করেছি।’ তাঁর সংযোজন, ‘বাবা-মা আর আমার শিক্ষকরা না থাকলে এটা সম্ভব হতো না। ভবিষ্যতে একজন ভালো ডাক্তার হয়ে মানুষের সেবা করতে চাই।’