মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে ভারতে ঢুকতে গিয়ে খাসিদের গুলিতে শেষ অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশি যুবক - 24 Ghanta Bangla News
Home

মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে ভারতে ঢুকতে গিয়ে খাসিদের গুলিতে শেষ অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশি যুবক

Spread the love

মেঘালয়ের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকায় এক অবৈধ অনুপ্রবেশকারী (Meghalaya Border)বাংলাদেশি নাগরিক খালিদ আহমেদ ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশের সময় খাসি উপজাতির লোকজনের গুলিতে নিহত হয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে সীমান্তের…

মেঘালয়ের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকায় এক অবৈধ অনুপ্রবেশকারী (Meghalaya Border)বাংলাদেশি নাগরিক খালিদ আহমেদ ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশের সময় খাসি উপজাতির লোকজনের গুলিতে নিহত হয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে সীমান্তের কাছাকাছি এলাকায়। বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের বারবার অনুরোধের পর তাঁর মরদেহ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বা বিজিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, খালিদ আহমেদ সীমান্ত অতিক্রম করে মেঘালয়ের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন। খাসি সম্প্রদায়ের লোকজন তাঁকে দেখে গুলি চালায়। সীমান্ত এলাকায় এ ধরনের ঘটনা নতুন নয়। প্রায়ই অবৈধ অনুপ্রবেশ ও চোরাচালানের অভিযোগে স্থানীয় উপজাতিরা নিজেরাই ব্যবস্থা নেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পুলিশ ও বিএসএফের তরফে বিষয়টি তদন্তাধীন।

আরও দেখুনঃ ‘২০২৫ এর পুজোতে কলকাতায় জল জমা সত্ত্বেও মমতা ডান্ডিয়া নেচেছিলেন!’ রত্না দেবনাথ

ঘটনার পর বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষ মরদেহ ফেরত নেওয়ার জন্য যোগাযোগ করে। (Meghalaya Border)কয়েক দফা আলোচনার পর ভারতীয় কর্তৃপক্ষ মরদেহ বিজিবির কাছে হস্তান্তর করে। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, অবৈধভাবে সীমান্ত পার হওয়ার চেষ্টা করার সময় এ ধরনের ঘটনা ঘটে থাকে। খাসি সম্প্রদায়ের লোকজন নিজেদের এলাকায় অনুপ্রবেশ রোধে কঠোর অবস্থান নেন বলে জানা যায়।

সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিএসএফ ও স্থানীয় প্রশাসন সীমান্ত পাহারায় আরও নজরদারি বাড়ানোর কথা বলছে। অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে দুই দেশের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। এ ধরনের ঘটনায় প্রাণহানি রোধে কূটনৈতিক আলোচনাও জরুরি বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

খালিদ আহমেদের পরিচয় নিয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনও পুরোপুরি নিশ্চিত হয়নি। (Meghalaya Border)তবে তিনি বাংলাদেশের সিলেটের কাছাকাছি এলাকার বাসিন্দা হতে পারেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। মরদেহ হস্তান্তরের পর বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষ আরও তদন্ত চালাবে বলে আশা করা হচ্ছে। ভারতীয় তরফেও ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু হয়েছে।

মেঘালয়ের সীমান্ত এলাকায় খাসি উপজাতির লোকজন প্রায়ই অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেন। স্থানীয়রা বলেন, তাদের জমি ও সম্পদের সুরক্ষার জন্যই এমন পদক্ষেপ নিতে হয়। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমেই এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলা করা উচিত বলে মনে করেন অনেকে। বেআইনি অনুপ্রবেশ রোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি মানবিক দিকও বিবেচনা করা দরকার।

এই ঘটনা দুই দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে আবারও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অবৈধ অনুপ্রবেশ, চোরাচালান ও স্থানীয় উত্তেজনা কমাতে উভয় পক্ষকেই আরও সক্রিয় হতে হবে। মরদেহ হস্তান্তরের পর পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা যাতে না ঘটে সে জন্য নজরদারি বাড়ানো হবে।

সীমান্ত এলাকার বাসিন্দারা শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। খাসি সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা বলেছেন, তারা নিজেদের এলাকা রক্ষায় সতর্ক। বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষও নিজেদের নাগরিকদের সীমান্ত পার না হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে। ঘটনাটি তদন্তের পর আরও বিস্তারিত তথ্য সামনে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *