Lalbazar: চোরবাগানকাণ্ডে গুজব ছড়ানোর অভিযোগ, কোচবিহার থেকে গ্রেফতার যুবক | Chorbagan Incident: One Arrested in Cooch Behar Over Fake Videos - 24 Ghanta Bangla News
Home

Lalbazar: চোরবাগানকাণ্ডে গুজব ছড়ানোর অভিযোগ, কোচবিহার থেকে গ্রেফতার যুবক | Chorbagan Incident: One Arrested in Cooch Behar Over Fake Videos

Spread the love

কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম) কুণাল আগরওয়াল (বাঁদিকে)Image Credit: TV9 Bangla

কলকাতা: চোরবাগানে কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল? দুর্ঘটনার আগের মুহূর্তে ‘মণ্ডপ ভাঙা’-র ঘোষণা কারা এবং কেন করেছিল? এসব তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে জানালেন কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম) কুণাল আগরওয়াল। তিনি জানালেন, সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এদিকে, চোরবাগানে দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো তথ্য ও পুরনো ভিডিয়ো ছড়ানোর অভিযোগে কোচবিহার থেকে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাঁর সঙ্গে বাংলাদেশের যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

শনিবার চোরবাগানে দুর্ঘটনার সময় বৃষ্টি হচ্ছিল। এদিন কুণাল আগরওয়াল বলেন, প্রস্থান পথে দর্শনার্থীদের ভিড় জমে যায়। ফলে ওই জায়গাটা ‘ব্লক’ হয়ে গিয়েছিল। সেইসময় ঘোষণা হয়েছিল, “মণ্ডপের দিকে কেউ আসবেন না। মণ্ডপ ভেঙে গেছে। মণ্ডপের অবস্থা খারাপ।” এদিন কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম) বলেন, “ঘোষণা কারা করেছিল, তা এখনও জানা যায়নি। তদন্ত চলছে।” একইসঙ্গে তিনি জানান, মণ্ডপ ভাঙার কোনও কিছু তাঁরা পাননি।

তিনি জানান, ৩০টি সিসিটিভি রয়েছে চোরবাগানে। তার মধ্যে ১৩টি সিসিটিভি ফুটেজ তাঁরা পেয়েছেন। বাকি পাননি।

ধৃতের বাড়ি তপুরহাটে, কোতোয়ালি থানা এলাকায়। তাঁর বাবা প্রয়াত জামিরুদ্দিন মিঞা। কোতোয়ালি থানায় ১৯ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে ১১৩৭/২০২৬ নম্বরে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৩৫৩(২) ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।

এডিসিপি ক্রাইম কুণাল অগ্রবাল জানিয়েছেন, চোরবাগানকাণ্ডে ৬০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যুর যে দাবি ছড়ানো হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। পুলিশ ১৯ জন মৃতের নামের তালিকা প্রকাশ করেছে। মৃতদের পরিবারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। পুরনো একটি ঘটনার ভিডিও, যেখানে আইনুল হককে চোখ তুলে নেওয়ার কথা বলতে দেখা গিয়েছিল, সেটিই চোরবাগানের ঘটনা বলে প্রচার করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনার তদন্তে আগামীকাল এসটিএফের একটি দল যাবে। গুজব ছড়ানোর পিছনে বাংলাদেশ যোগ রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

অন্যদিকে, চোরবাগানকাণ্ডের তদন্তভার নিয়েছে লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগ। ঘটনার মূল জায়গা ছিল পুজোমণ্ডপের এক্সিট গেট। অভিযোগ, প্রবেশপথ খুলে দেওয়া হলেও বেরোনোর পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। কে বা কারা এমন ঘোষণা করেছিলেন, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

কুণাল অগ্রবাল জানিয়েছেন, প্যান্ডেলে ভাঙচুরের কোনও চিহ্ন মেলেনি। মোট ৩০টি অ্যাঙ্গেলের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে, যার মধ্যে ১৩টি অ্যাঙ্গেলের ফুটেজ পরীক্ষা করা হচ্ছে। তবে এক্সিট গেটের বাইরের ক্যামেরার ফুটেজ পাওয়া যায়নি। পুজো কমিটির লাগানো ক্যামেরায়ও কোনও রেকর্ডিং ছিল না বলে জানা গিয়েছে। ফলে আপাতত প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান ও অন্যান্য সূত্রের উপর নির্ভর করেই তদন্ত এগোচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *