সৌরভ-রাঙ্কারা তিহাড়ে, পাশে এ বার ‘হাত’ও
এ দিন ‘অত্যাচারিত’ যুব কংগ্রেস সদস্যদের সামনে রেখেও দিল্লি পুলিশকে একহাত নিয়েছেন রাহুল। সাংবাদিক বৈঠকে কেরলম থেকে পড়তে আসা দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী, আথিরাকে দেখিয়ে রাহুলের দাবি, ‘দিল্লি পুলিশের মারে আথিরার এক কানের শ্রবণশক্তি চলে গিয়েছে। আগের বার আপনাদের দেখিয়েছিলাম, কী ভাবে দিল্লি পুলিশের পেলেট গান এক আন্দোলনকারীর দৃষ্টি কেড়েছে।’ তবে আথিরাকে ‘শেরনি’ সম্বোধন করে রাহুলের দাবি, ‘আঘাতের মুখেও সাহস হারাননি ইনি।’ আথিরার দাবি, রাজপথে ধর্না–প্রতিবাদের সময়ে দিল্লি পুলিশ যখন তাঁদের আটক করে, তখন বাসের মধ্যেই এক মহিলা কনস্টেবল বুট পায়ে লাথি মারতে থাকেন৷ তাঁর মুখে ও কানে লাথি মারা হয়৷ আরও এক ছাত্র বেধড়ক মারধরের অভিযোগ তুলেছেন। রাহুলের দাবি, পুরো ঘটনার ভিডিয়ো সংগ্রহ করে রাখছেন তাঁরা, পরে সব দোষীর শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে৷ এই সাংবাদিক বৈঠক থেকেও রাহুলের হুঁশিয়ারি, ‘অমিত শাহজি, এটা ভারত। এখানে একটাই স্বর, একটাই প্রতিবাদ। সেই স্বরের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে আপনারা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, জ্ঞানেশ কুমার, অমিত শাহ, বাচ্চাদের উপরে হাত তোলা দিল্লি পুলিশ— কেউ ছাড় পাবেন না। শাস্তি হবে, হবে, হবেই…।’