শেক্সপিয়র সরণি থানায় হাজিরা দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়
কলকাতা: কলকাতার ক্যামাক স্ট্রিটে দলের একটি হোর্ডিং বা বিলবোর্ড অপসারণকে কেন্দ্র করে তুলকালাম কাণ্ড এবং সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে শেষ পর্যন্ত পুলিশের মুখোমুখি হলেন তৃণমূলের…
কলকাতা: কলকাতার ক্যামাক স্ট্রিটে দলের একটি হোর্ডিং বা বিলবোর্ড অপসারণকে কেন্দ্র করে তুলকালাম কাণ্ড এবং সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে শেষ পর্যন্ত পুলিশের মুখোমুখি হলেন তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কম্যান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার নির্ধারিত সময় অনুযায়ী সকাল এগারোটা নাগাদ শেক্সপিয়র সরণি থানায় হাজির হন তিনি।
গত অগস্ট মাসের শেষের দিকে ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেকের দলীয় অফিস চত্বরে ‘সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’ লেখা একটি হোর্ডিং লাগানোকে কেন্দ্র করে বিতর্কের সূত্রপাত হয়। কলকাতা পুরনিগমের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, ওই বিজ্ঞাপনের কোনো বৈধ অনুমতি নেওয়া হয়নি। এরপর পুরকর্মীরা সেই হোর্ডিংটি খুলতে গেলে বচসা ও চরম উত্তেজনা ছড়ায়।
পুরসভার পক্ষ থেকে অভিযোগ তোলা হয়, হোর্ডিং সরাতে গিয়ে তাদের কর্মীদের মারাত্মক বাধার মুখে পড়তে হয় এবং ঘটনাস্থলে উপস্থিত মহিলা পুলিশকর্মীদের সঙ্গেও দুর্ব্যবহার করা হয়। এই অশান্তির জেরে শেক্সপিয়র সরণি থানায় মোট তিনটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়। তদন্তে নেমে পুলিশ বিएनएस (BNS)-এর বেশ কিছু জামিন অযোগ্য ধারা যুক্ত করে। এই মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন, নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় এবং বিতর্কিত প্রাক্তন আইপিএস অফিসার হুমায়ুন কবীরের মতো হেভিওয়েটদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এই ঘটনার আইনি দিক খতিয়ে দেখতে এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্যই তাঁকে থানায় তলব করেছিল পুলিশ। সেই তলব এড়িয়ে না গিয়ে আজ বেলা এগারোটা নাগাদ সশরীরে থানায় পৌঁছন তিনি। হাই-প্রোফাইল এই থানার হাজিরাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।
কলকাতায় ফের বেআইনি অস্ত্রের হদিশ, উদ্ধার বন্দুক-গুলি তৈরির সরঞ্জাম