মোদী-শাহকে ঘিরে ফেলার হুঁশিয়ারি রাহুলের! সংবিধান রক্ষার ডাক যুবসমাজকে
নয়াদিল্লি: কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী সম্প্রতি এক ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী,(Rahul Gandhi) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সহ কয়েকজন শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি…
নয়াদিল্লি: কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী সম্প্রতি এক ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী,(Rahul Gandhi) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সহ কয়েকজন শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, এই নেতারা ধীরে ধীরে ঘিরে ফেলা হচ্ছে এবং তাঁরা পিছু হটবেন না। রাহুল গান্ধী দাবি করেছেন, তিনি এক দশকেরও বেশি সময় ধরে মোদী ও আরএসএস-এর বিরুদ্ধে লড়াই করছেন এবং তাঁদের চরিত্র ও কৌশল ভালোভাবে বোঝেন।
ভিডিও বার্তায় রাহুল গান্ধী প্রধানমন্ত্রী মোদী, অমিত শাহ, মোহন ভাগবত, জ্ঞানেশ কুমার ও অজিত দোভালকে ‘এই গল্পের খলনায়ক’ আখ্যা দিয়েছেন। (Rahul Gandhi)তিনি বলেছেন, এঁদের চারপাশের জায়গা ক্রমশ সংকুচিত হয়ে আসছে। প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, যা ইচ্ছা করতে পারেন। দশ হাজার, বিশ হাজার বা পঞ্চাশ হাজার পুলিশ ডাকুন। সব নেতাকে গ্রেফতার করুন, সব যুবককে গ্রেফতার করুন, আমাদের সবাইকে গ্রেফতার করুন। আমরা আপনাদের ঘিরে ফেলেছি এবং আমরা পিছু হটব না।
আরও দেখুনঃ বলাগড় মিনি পোর্টে ৫৩৯ কোটি বিনিয়োগ! খুলবে কর্মসংস্থানের নতুন দরজা
রাহুল গান্ধী আরও বলেন, তাঁদের কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য আছে। তাঁরা সংবিধান রক্ষা করবেন, ভারতীয় জনগণের কণ্ঠস্বর রক্ষা করবেন এবং গত ১০-১৫ বছরে যা করা হয়েছে তা আর কখনো যেন না হয়, সেটা নিশ্চিত করবেন। (Rahul Gandhi)তিনি যুবসমাজকে অভিনন্দন জানিয়ে প্রতিবাদ চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান এবং বলেন, এই শাসনব্যবস্থা ও সংবিধানের ওপর আক্রমণকারীদের পরাজিত করা হবে।
এই বক্তব্যের পর রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিজেপি ও সরকারপন্থী মহল একে শাসন পরিবর্তনের চেষ্টার ইঙ্গিত বলে ব্যাখ্যা করছেন। তাঁদের মতে, বিভিন্ন নামে ও আখ্যানে চলা প্রতিবাদগুলোর মূল লক্ষ্য একই বর্তমান সরকারকে সরানো। ছাত্র আন্দোলন, নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদসহ বিভিন্ন ইস্যুতে যে আন্দোলন দেখা যাচ্ছে, সেগুলোকে একই সুতোয় গাঁথা বলে তাঁরা দাবি করছেন।
অন্যদিকে কংগ্রেস ও বিরোধী মহল বলছেন, এটি গণতান্ত্রিক প্রতিবাদ ও সংবিধান রক্ষার লড়াই। রাহুল গান্ধী নিজেও বলেছেন, তাঁরা সংবিধান ও জনগণের কণ্ঠস্বর রক্ষা করতে চান। প্রতিবাদের অধিকার গণতন্ত্রের অংশ এবং সরকারের সমালোচনা করা অন্যায় নয়।
রাহুল গান্ধীর এই বক্তব্য এমন সময়ে এসেছে যখন দিল্লিসহ বিভিন্ন স্থানে প্রতিবাদ চলছে।(Rahul Gandhi) জ্ঞানেশ কুমারকে কেন্দ্র করে যে আন্দোলন হচ্ছে, তার সঙ্গেও তিনি একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। তিনি যুবসমাজকে উৎসাহ দিয়ে বলেছেন, তাঁরা গর্বিত এবং প্রতিবাদ চালিয়ে যেতে হবে।