CJP Protest Delhi: ব্যাগ গুছিয়ে দিল্লি যেতে বলেছে CJP, হস্টেলের ওয়ার্ডেন, পিজি মালিকদের কাছেও পৌঁছে যাচ্ছে পুলিশ | CJP Protest in Delhi, police contacts with hostel warden PG owners
নয়া দিল্লি: মুম্বই, বেঙ্গালুরুর পর দিল্লিতে আন্দোলনের ঘোষণা করেছে ককরোচ জনতা পার্টি। জুলাই মাসে দীর্ঘ সময় ধরে দিল্লির যন্তর মন্তরে সিজেপির (CJP) আন্দোলন চলেছিল। এবার ইস্যু ভিন্ন হলেও, শোনা যাচ্ছে দীর্ঘ আন্দোলনের প্রস্তুতিই নিচ্ছে সিজেপি। তার আগে বিশেষ প্রস্তুতি শুরু করে দিল দিল্লি পুলিশ (Delhi Police)। হস্টেল, পিজি থেকে শুরু করে আবাসনের ওয়েলফেয়ার কমিটিগুলির সঙ্গেও পুলিশ কথা বলছে বলে সূত্রের খবর।
আগামী ১০ অক্টোবর সিজেপি দিল্লিতে আন্দোলনে নামবে বলে ঘোষণা করেছে। দিল্লি পুলিশকে এই বিষয়ে অবগতও করা হয়েছে। কিন্তু সেই প্রস্তাবিত যন্তর মন্তর মার্চের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। এই বিষয়ে ছাত্রছাত্রী এবং জনসাধারণকে অবগত করতে আজ বৃহস্পতিবার থেকে আগামী ৪৮ ঘন্টা স্পেশাল আউটরিচ প্রোগ্রাম চালাচ্ছে পুলিশ।
হস্টেল ওয়ার্ডেন, পিজি মালিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করছে পুলিশ
পুলিশের তরফে বেশ কিছু বেনজির পদক্ষেপ করা হয়েছে। যোগাযোগ করা হচ্ছে বিভিন্ন ইউনিভার্সিটি এবং কলেজের হস্টেল ওয়ার্ডেন, পিজি মালিকদের সঙ্গে। অর্থাৎ যে যে জায়গায় ছাত্রছাত্রীরা থাকেন, সেখানেই সতর্কবার্তা পৌঁছে দিচ্ছে পুলিশ। জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে, যে ১০ তারিখের আন্দোলনে পুলিশের কোনও অনুমতি নেই।
যোগাযোগ করা হচ্ছে সেই সব রেসিডেন্সিয়াল কমপ্লেক্সের ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে, যেখানে কোনও কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা থাকেন।
আনা হয়েছে বডিক্যাম, থাকবে ২০০ কোম্পানি বাহিনী
জমায়েতের জন্য কোন কোন জায়গা থেকে বাস বুক করা হচ্ছে, সেই বিষয়ে জানতে বাস অপারেটরদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই ইন্ডিয়া ব্লকের প্রতিবাদ সামাল দেওয়ার সময় প্রত্যেকদিন পুলিশ অফিসাররা বডিক্যাম ব্যবহার করছেন। এছাড়াও বিক্ষোভ অবস্থানের সময় ভিডিয়ো রেকর্ডিং-এর জন্য ভাড়া করা হচ্ছে ক্যামেরাম্যান। নাকাবন্দি করা হয়েছে দিল্লি সীমান্তের সব এন্ট্রি-এক্সিট পয়েন্ট। অবিরাম চলছে গাড়ির চেকিং।
দিল্লি পুলিশের তরফে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে ২০০ কোম্পানি CAPF চাওয়া হয়েছে। বাড়ানো হচ্ছে মহিলা পুলিশ কর্মীর সংখ্যাও।
সূত্রের খবর, গতকাল ককরোচ জনতা পার্টির নেতৃত্বের তরফে আবেদন করা হয়েছে, ভিনরাজ্য থেকে যাঁরা আন্দোলনে অংশ নেবেন, তাঁরা যেন ব্যাগ গুছিয়ে আসেন। কারণ টানা চলবে অবস্থান বিক্ষোভ।