SIR Controversy: মহুয়া কাকু বলে ডাকতেই কী বললেন শুভেন্দুর মুখ্য পরামর্শদাতা? | Best SEO Title SIR Row: Mahua Moitra Warns Bengal Officials After Justice Ujjal Bhuyan’s Remarks
সুব্রত গুপ্ত ও মহুয়া মৈত্রImage Credit: TV9 Bangla
কলকাতা: জ্ঞানেশ বিতর্কের মাঝেই সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি উজ্জ্বল ভুঁইঞার SIR সংক্রান্ত মন্তব্যে তোলপাড় জাতীয় রাজনীতি। তাঁর বক্তব্যকে সমর্থন জানিয়ে রবিবার নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছিলেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। রবিবারের পর সোমবার। তিনি আরও একটি পোস্ট করেন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রধান উপদেষ্টা ও পরামর্শদাতা সুব্রত গুপ্ত ও মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়ালের ছবি দিয়ে লেখেন, “বাংলায় এসআইআর-এর দুই সবচেয়ে বড় রূপকার সমস্ত ধরনের বেআইনি কাজ করেছেন। সুব্রত কাকু ও মনোজ আঙ্কেল—সাবধান হোন! ভারত এবার আপনাদের দিকেই আসছে। কোনোভাবেই রেহাই পাবেন না।”
2 biggest architects of Bengal SIR – committed every illegality under the planet. Subrata Kaku & Manoj Uncle – watch out. India is coming for you next. Bachh nahi paoge. https://t.co/XJMCdkwvkb
— Mahua Moitra (@MahuaMoitra) October 3, 2026
SIR-এর সময়ে সুব্রত গুপ্ত বিশেষ পর্যবেক্ষক হিসাবে ছিলেন, মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দায়িত্ব সামলেছিলেন মনোজ আগরওয়াল। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে একতরফা সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং লক্ষ লক্ষ মানুষের ভোটাধিকার খর্ব করার অভিযোগকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে তীব্র রাজনৈতিক ও আইনি বিতর্ক তৈরি হয়েছে। দিল্লি-মুম্বইয়ের পাশাপাশি বাংলাতেও সুর চড়িয়েছে মমতা শিবির। সেই প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়েছে হায়দরাবাদের নালসার বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অনুষ্ঠানে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি উজ্জ্বল ভুঁইঞা বলেন, “লক্ষ লক্ষ মানুষকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা ও ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করে নিজের দেশেই দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক বানিয়ে দেওয়া স্বেচ্ছাচারী পদক্ষেপ।”
তারই প্রেক্ষিতে মহুয়ার একের পর এক পোস্ট। কিন্তু এবার মহুয়ার পোস্ট নিয়ে মুখ খুললেন খোদ মুখ্যমন্ত্রীর প্রধান পরামর্শদাতা সুব্রত গুপ্ত। TV9 বাংলাকে তিনি বলেন, ”
আমার এমন ভাইঝি আছে জানা ছিল না। আমি জানতামই না আমার কোনও ভাইঝি রয়েছে।” সঙ্গে তিনি এও বলেন, “একজন দায়িত্বশীল সাংসদ হিসাবে তাঁর মনে রাখা উচিত ছিল, তিন-চার দশকে এই প্রথম বাংলায় রক্তপাতহীন ভোট হয়েছে।” তাঁর বক্তব্য, এটা দেশের সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশে কলকাতা হাইকোর্টের সুপার ভিশনে হয়েছিল, সেক্ষেত্রে কোনও ব্যক্তিকে নাম করে আক্রমণ করা ভালো রুচির পরিচয় নয়।