Hidden Skin Care Mistakes: মুখে একটা ব্রণ শুকতে না শুকতেই আর একটা! দোষটা কোথায় জানেন? | The Hidden Villains of Acne: 3 Everyday Items Ruining Your Skin
কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?Image Credit: Credit: Issarawat Tattong/Moment/Getty Images
সকালে ঘুম থেকে উঠে আয়নার সামনে দাঁড়াতেই চোখ আটকে গেল গালে। ফের একটা নতুন ব্রণ! মেজাজ খারাপ হওয়াটাই স্বাভাবিক। প্রথম রাগটা গিয়ে পড়ে ফেসওয়াশ বা দামি ক্রিমের ওপর। মনে হয়, এত টাকা খরচ করে ত্বকের যত্ন (Skin Care) নিয়েও কোনও লাভ হচ্ছে না। সব টাকাই জলে গিয়েছে! কিন্তু আসল কালপ্রিট যে সাধের স্কিনকেয়ার প্রোডাক্ট নয়, সেটা কি কখনও ভেবে দেখেছেন? আসলে রোজকার জীবনের অতি সাধারণ ৩টি জিনিস নিঃশব্দে ত্বকের দফারফা করছে। হাজার চেষ্টা করলেও ব্রণ কমার বদলে বাড়ছে। ঠিক কীভাবে রোজকার অভ্যাসে ত্বকের ক্ষতি হচ্ছে?
কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?
বালিশের কভার
সারাদিনের হাড়ভাঙা খাটুনির পর বিছানায় গা এলিয়ে দিলেই শান্তি। কিন্তু যে বালিশে মুখ গুঁজে ঘুম আসছে, সেটাই হয়তো ব্রণের সবচেয়ে বড় আঁতুড়ঘর। ঘুমের মধ্যে শরীর থেকে বেরনো ঘাম, ত্বকের তেল, মরা কোষ আর ঘরের ধুলো, সব মিলেমিশে বালিশের কভারে একাকার হয়ে থাকে। দিনের পর দিন সেই একই নোংরা কভারে মুখ ঘষলে রোমকূপ বা পোরস বন্ধ হতে বাধ্য। আর সেখান থেকেই শুরু হয় ব্রণের বাড়বাড়ন্ত। তাই সপ্তাহে অন্তত দু’দিন হালকা সাবান দিয়ে বালিশের কভার কাচা খুব জরুরি। সম্ভব হলে সিল্ক বা স্যাটিনের কভার ব্যবহার করতে পারেন, এতে ত্বকের ঘর্ষণ কম হয়।
স্মার্টফোনের স্ক্রিন
এখন স্মার্টফোন ছাড়া এক মুহূর্তও কাটে না। বাথরুম থেকে বিছানা, এমনকী খাওয়ার টেবিলেও ফোনের অবাধ যাতায়াত। ফলে স্ক্রিনে জমতে থাকে হাজারো জীবাণু আর ধুলো। ফোনে কথা বলার সময় সেই নোংরা স্ক্রিন গাল ও চোয়ালের সঙ্গে সরাসরি লেগে থাকে। ব্যস, জীবাণু সোজা পাচার হয়ে যায় ত্বকে! এই বিপদ এড়াতে নিয়ম করে পরিষ্কার কাপড় বা ওয়াইপস দিয়ে ফোনের স্ক্রিন মুছে রাখা দরকার। একটানা লম্বা কথা বলার থাকলে স্পিকার বা ইয়ারফোন ব্যবহার করাই বুদ্ধিমানের কাজ।
চুলের প্রসাধন
চুল সুন্দর রাখতে অনেকেই নানা রকম জেল, সিরাম বা লিভ-ইন কন্ডিশনার লাগান। কিন্তু সেই প্রসাধন যদি কপাল, গাল বা ঘাড়ের ত্বকে লেগে যায়, তবেই মুশকিল। এই ধরনের প্রোডাক্টে থাকা রাসায়নিক বা তেল ত্বকের ছিদ্র আটকে দেয়। বিশেষ করে কপালের দিকে বা চুলের গোড়ার কাছে যদি বারবার ব্রণ বেরোয়, তবে হেয়ার প্রোডাক্টের দিকে একবার নজর দেওয়া দরকার। চুল ধোয়ার সময় খেয়াল রাখবেন শ্যাম্পু বা কন্ডিশনারের জল যেন মুখে বেশি না লাগে।
দৈনন্দিন জীবনের এই ছোট ছোট ভুল শুধরে নিলেই ত্বকের অনেক সমস্যা ম্যাজিকের মতো কমে যায়। তবে মনে রাখা দরকার, হরমোনের ওঠানামা, মাত্রাতিরিক্ত মানসিক চাপ বা জিনগত কারণেও মুখে ব্রণ হতে পারে। তাই সব নিয়ম মেনেও যদি ব্রণ না কমে, তবে দেরি না করে কোনও ত্বকের বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।