সিউড়িতে আক্রান্ত বীরভূমের বাঘ অনুব্রত! জয় শ্রী রাম স্লোগানে ভাঙা হল কার্যালয়
সিউড়ি: সিউড়িতে তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় কার্যালয়ে অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mondal)ঘিরে উত্তেজনার ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, দলীয় কার্যালয়ে অনুব্রত…
সিউড়ি: সিউড়িতে তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় কার্যালয়ে অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mondal)ঘিরে উত্তেজনার ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, দলীয় কার্যালয়ে অনুব্রত উপস্থিত থাকাকালীন কয়েক জন যুবক সেখানে ঢুকে জয় শ্রী রাম স্লোগান দিয়ে ভাঙচুর চালান বলে অভিযোগ। তাঁদের হাতে লাঠি ও গাছের ডাল ছিল বলে দেখা গিয়েছে।
ঘটনাটিকে ঘিরে অনুব্রতকে হেনস্থা ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ সামনে এসেছে। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট করে বলা প্রয়োজন প্রকাশিত বিবরণ অনুযায়ী, অনুব্রত মণ্ডলকে কেউ সরাসরি লাঠি দিয়ে মারধর করেননি। বরং তাঁর সামনেই অফিসে ব্যাপক ভাঙচুর চালানোর সময় ভাঙা কাচ ছিটকে এসে তাঁর মুখ ও শরীরে লাগে।
ঘটনার সময় অনুব্রত দলীয় কার্যালয়ে বসেছিলেন বলে জানা গিয়েছে। (Anubrata Mondal)সেই সময়ই একদল যুবক সেখানে ঢুকে চেয়ার, টেবিল এবং এসি-সহ অফিসের বিভিন্ন জিনিসে ভাঙচুর শুরু করেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠতেই অনুব্রতকে তাঁদের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায়। প্রকাশিত ভিডিও-সংক্রান্ত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, তিনি হাতজোড় করে উত্তেজিত যুবকদের শান্ত করার চেষ্টা করেন এবং তাঁদের কথা শুনতে অনুরোধ করেন। কিন্তু তাতেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি।
অভিযোগ, হামলাকারীরা অনুব্রতকে উদ্দেশ করে কটাক্ষও করেন। (Anubrata Mondal)তাঁকে ‘গরুচোর’ বলে সম্বোধন করার পাশাপাশি গত ১৫ বছরে বীরভূমের মানুষের উপর অত্যাচার চালানোর অভিযোগ তোলা হয়। এই মন্তব্যগুলির সত্যতা বা অভিযোগের ভিত্তি নিয়ে আলাদা করে কোনও বিচারিক সিদ্ধান্ত হয়নি; এগুলি ঘটনাস্থলে থাকা হামলাকারীদের বক্তব্য হিসেবেই প্রকাশিত হয়েছে।
ভাঙচুরের সময়ই ঘটে যায় আরও একটি ঘটনা। অনুব্রতের টেবিলের উপর লাঠি দিয়ে আঘাত করা হলে কাচ ভেঙে যায়। সেই ভাঙা কাচের টুকরো ছিটকে এসে অনুব্রতের মুখ ও শরীরে লাগে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সিউড়ির এই ঘটনার পিছনে কারা ছিলেন, তাঁদের উদ্দেশ্য কী ছিল এবং ঘটনার সঙ্গে কোনও রাজনৈতিক সংগঠনের প্রত্যক্ষ যোগ রয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। আপাতত প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে হামলাকারীদের পরিচয় বা রাজনৈতিক পরিচয় সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর সুযোগ নেই। একইভাবে, তাঁদের বিরুদ্ধে কী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, সেটিও তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে স্পষ্ট হবে।