Calcutta High Court: মমতার ভবানীপুর-মামলায় লিখিত জবাব দিতে চায় শুভেন্দু, সময় দিল কলকাতা হাইকোর্ট | Bhabanipur Election Case: Calcutta High Court Gives Suvendu Adhikari Time to Reply to Mamata Banerjee’s Plea - 24 Ghanta Bangla News
Home

Calcutta High Court: মমতার ভবানীপুর-মামলায় লিখিত জবাব দিতে চায় শুভেন্দু, সময় দিল কলকাতা হাইকোর্ট | Bhabanipur Election Case: Calcutta High Court Gives Suvendu Adhikari Time to Reply to Mamata Banerjee’s Plea

Spread the love

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও কলকাতা হাইকোর্টেImage Credit: Tv9 Bangla

কলকাতা: ভবানীপুর বিধানসভা নির্বাচনের (Bhabanipur By-Election) গণনায় কারচুপির অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সেই মামলায় শুভেন্দু অধিকারীকে সময় দিল কলকাতা হাইকোর্ট। আসলে মমতার দায়ের করা মামলার জবাব লিখিত আকারে দিতে চেয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই আবেদন মেনেই বিজেপি প্রার্থীকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সময় দিল কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি গৌরাঙ্গ কান্ত।

২০২৬-এ ভবানীপুর কেন্দ্রে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে হেরে গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই কেন্দ্র থেকেই ১৫,১০৫ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়ে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ করেই মামলা করেন মমতা। নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তোলেন তিনি। মঙ্গলবার ছিল সেই মামলার শুনানি।

এর আগে জুন মাসের শুনানিতে ভবানীপুরের গণনার কেন্দ্রের যাবতীয় সিসিটিভি ফুটেজের সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি গৌরাঙ্গকান্ত। স্পষ্ট করে দেওয়া হয়, আদালতের নির্দেশ ছাড়া মুছে ফেলা যাবে না ওই ফুটেজ। সব ইভিএম ও ভিভিপ্যাট (ভবানীপুরের) সংরক্ষণের নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। দুই মাস পর ফের আজ শুনানি ছিল।

জুন মাসের শুনানির পর আজ ফের আদালতে ওঠে মামলা। গৌরাঙ্গকান্তের সিঙ্গল বেঞ্চে শুভেন্দুর আইনজীবী দাবি করেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের করা যে যাবতীয় অভিযোগ রয়েছে, লিখিত আকারে তার জবাব দিতে চাইছেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই লিখিত বক্তব্য জানাতে সময় দিয়েছে হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। এদিকে, বক্তব্য জানানোর জন্য ৪ সপ্তাহ সময় চাইল কমিশন।

জুন মাসের মামলায় মমতার আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় গণনার দিনের কথা উল্লেখ করে বলেন, “গণনার দিন ১২ রাউন্ড পর্যন্ত ঠিক চলছিল। মমতা এগিয়ে ছিলেন। এরপর সব বদলে যায়। তৃণমূলের এজেন্টদের মারধর করা হয়, বের করে দেওয়া হয়। কেন্দ্রীয় বাহিনী সেই কাজে বিজেপির এজেন্টদের সাহায্য কাজ করে। ১৩ রাউন্ড থেকে অস্বাভাবিকভাবে সব বদলে যায়। সিসিটিভি ক্যামেরায় সব রেকর্ড আছে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *