পুজোর পাস বিক্রিতে দুর্নীতির অভিযোগ! সাতসকালে ইন্দ্রনীল সেনের কসবার বাড়িতে ইডি হানা
রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের বাড়িতে ইডি তল্লাশি। পুজো প্যান্ডেলে এন্ট্রি পাস বিক্রির নামে কোটি কোটি টাকার আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে তাঁর নামে। তবে শুধু…
রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের বাড়িতে ইডি তল্লাশি। পুজো প্যান্ডেলে এন্ট্রি পাস বিক্রির নামে কোটি কোটি টাকার আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে তাঁর নামে। তবে শুধু ইন্দ্রনীল সেনের বাড়িই নয়, শহর কলকাতার একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালায় ইডির আধিকারিকরা। এরমধ্যে তৃণমূল জমানার এই মন্ত্রীর এক ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীও রয়েছেন বলে সূত্রের খবর।
দুর্গাপুজোর ভুয়ো পাস বিক্রির ঘটনায় বউবাজার থানায় ইন্দ্রনীল সেন এবং ‘মাস আর্ট’ নামে একটি সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। সেই অভিযোগেরই তদন্ত শুরু করেছে ইডি। জানা গিয়েছে দুর্গাপুজোর নামে ভুয়ো পাস বিক্রির ক্ষেত্রে নাকি ইউনেসকোর নামও ব্যবহার করা হয়েছিল।
এই দুর্নীতিতে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ কোটি টাকার বেআইনী লেনদেন হয়েছে বলে আন্দাজ করা হচ্ছে। শুধু ইন্দ্রনীল সেন নন, তাঁর স্ত্রী মধুছন্দা সেনের নামেও অভিযোগ দায়ের হয়। উল্লেখ্য,‘মাস আর্ট’ নামের ওই সংস্থার সঙ্গে জড়িত ইন্দ্রনীল সেনের স্ত্রী খোদ। ইডির ধারণা বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জনের জন্য ‘ইউনেস্কো’র নাম ব্যবহার করা হত। আরও জানা গিয়েছে এই সংস্থার প্রেসিডেন্ট ছিলেন মধুছন্দা। ওই সংস্থার তরফে দাবি করা হয়, ইউনেস্কো তাদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে, পার্টনার হয়েছে। একই সঙ্গে বলা হয়, ইউনেস্কো ২৪টা দুর্গাপুজোর প্যান্ডেলকে বেছে নিয়েছে। কিন্তু, তা একেবারেই মিথ্যে। তাঁর দাবি, একটা দুর্গাপুজোর উপর ইউনেস্কোর (UNESCO) নাম ও লোগো ব্যবহার করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ ভুয়ো।
এদিকে, মঙ্গলবার সকাল থেকেই কলকাতার মোট ১৫টি জায়গায় একসঙ্গে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। কসবা ছাড়াও হিন্দুস্তান পার্ক, হাইল্যান্ড পার্ক-সহ আরও কয়েকটি জায়গায় ইডি (Enforcement Directorate) আধিকারিকরা গিয়েছেন। ইন্দ্রনীল সেনের নিজের বাড়ির পাশাপাশি তাঁর এক আত্মীয়ের বাড়িতেও তল্লাশি চলছে। এছাড়া ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে যুক্ত এক ব্যবসায়ীর বাড়িতেও ED-র অভিযান চলছে বলে খবর।