মহালয়ায় Pitru Dosh ও Kaal Sarp Dosh-এর প্রতিকার জানুন। Ei Samay
কোষ্ঠীতে পিতৃদোষ বা কালসর্প দোষ থাকলে জীবনে বার বার বাধা, কাজের ক্ষেত্রে সমস্যা এবং মানসিক অশান্তি তৈরি হয়। জ্যোতিষ মতে কালসর্প দোষকে অত্যন্ত অশুভ বলে মনে করা হয়। প্রচলিত বিশ্বাস, যেহেতু শিবকে ‘মহাকাল’ বলা হয় এবং তাঁর গলায় নাগরাজ অলঙ্কারের মতো জড়িয়ে করেন, তাই শিবের আরাধনার মাধ্যমেই এই দুই দোষের প্রভাব শান্ত করা যায়। কী করবেন?
কালসর্প দোষ নিবারণের মন্ত্র ও পুজোর নিয়ম
রাহু ও কেতুর কারণে কালসর্প দোষ তৈরি হয় বলে জ্যোতিষশাস্ত্রে উল্লেখ রয়েছে। তাই নাগপঞ্চমী, যে কোনও সোমবার অথবা অমাবস্যায় এই দোষ নিবারণের জন্য শিবের আরাধনা করা শুভ বলে মনে করা হয়। সেই ক্ষেত্রে মহালয়ার দিন এই প্রতিকার করার জন্য শুভ দিন হিসেবে গণ্য করা হয়।
সাপ গায়ত্রী মন্ত্র:
‘ওঁ নবকুলায় বিদ্মহে বিষদন্তায় ধীমহি তন্নো সর্পঃ প্রচোদয়াৎ।’
এছাড়াও জপ করতে পারেন—‘ওঁ নমঃ শিবায় রাহবে কেতবে নমঃ।’
পুজোর নিয়ম
পুজোর জন্য তামা বা রুপোর নাগ-নাগিনের জোড়া, তামার লোটায় জল এবং চন্দন রাখতে হবে। সকালে স্নান করে পরিষ্কার পোশাক পরে শিবমন্দিরে গিয়ে শিবলিঙ্গে নাগ-নাগিনের জোড়া অর্পণ করুন। এরপর শিবলিঙ্গে জল ঢালতে ঢালতে সাপ গায়ত্রী মন্ত্র ১০৮ বার জপ করুন। পুজো শেষে নাগ-নাগিনের জোড়া প্রবাহিত জলে বিসর্জন দিয়ে দিন বা মন্দিরের পুরোহিতকে দান করে দিন।
জ্যোতিষ মতে, রাহু ও কেতুর মধ্যে সব গ্রহ অবস্থান করলে কালসর্প দোষ তৈরি হয়। বার বার সাপের স্বপ্ন দেখা, কর্মক্ষেত্রে বাধা, ব্যবসায় ক্ষতি, চাকরি হারানো, অকারণ ভয়-উদ্বেগ এবং দাম্পত্য জীবনে অশান্তিকে এর সম্ভাব্য লক্ষণ হতে পারে।