বোনের চিকিৎসার নাম করে ভুয়ো নথি সোশ্যাল মিডিয়ায়! ১ লাখ ৫৮ হাজার আত্মস্যাৎ কিশোরের - 24 Ghanta Bangla News
Home

বোনের চিকিৎসার নাম করে ভুয়ো নথি সোশ্যাল মিডিয়ায়! ১ লাখ ৫৮ হাজার আত্মস্যাৎ কিশোরের

Spread the love

আগ্রা: সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে এক চিকিৎসা তহবিল সংগ্রহের অভিযোগ( fake medical)। আগ্রা পুলিশ এই অভিযোগের ভিত্তিতে এক কিশোরকে গ্রেফতার করেছে। অনলাইনে ‘জয় সিং রাঠোর’…

আগ্রা: সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে এক চিকিৎসা তহবিল সংগ্রহের অভিযোগ( fake medical)। আগ্রা পুলিশ এই অভিযোগের ভিত্তিতে এক কিশোরকে গ্রেফতার করেছে। অনলাইনে ‘জয় সিং রাঠোর’ নামে পরিচিত এই কিশোর তার বোনের চোখের চিকিৎসার জন্য তহবিল তোলার আবেদন জানিয়েছিল। কিন্তু হাসপাতাল জাল নথি তৈরির অভিযোগ তোলায় পুরো বিষয়টি প্রতারণা হিসেবে সামনে আসে।আগ্রা পুলিশ কমিশনারেটের অফিসিয়াল অ্যাকাউন্টে জানানো হয়, অজয়বীর সিং ওরফে জয় সিং রাঠোরের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

আরও দেখুনঃ বাড়ছে চাহিদা! দেশীয় প্রযুক্তির ক্ষেপণাস্ত্র ‘আকাশ’ এখন দেশ পেরিয়ে তাজাকিস্তানে

সে সামাজিক মাধ্যমে দাবি করেছিল তার ১২ বছর বয়সী বোনের চোখে গ্লুকোমা বা ভিট্রিয়াস হেমারেজের মতো সমস্যা রয়েছে। চিকিৎসার জন্য জাল কাগজপত্র তৈরি করে জনসাধারণের সহানুভূতি আদায় করে ক্রাউডফান্ডিংয়ের মাধ্যমে টাকা তোলে। ( fake medical)বাহ থানায় মামলা দায়ের করে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া চলছে।ঘটনার শুরু হয় এক আবেগঘন পোস্ট দিয়ে। জয় সিং রাঠোর নিজেকে ১৬ বছর বয়সী হিসেবে পরিচয় দিয়ে বলেছিল তার ছোট বোনের চোখের দৃষ্টি চলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

পরিবার ইতিমধ্যে দুই লাখ ৫০ হাজার টাকার বেশি খরচ করেছে বলে দাবি করে সে আরও সাহায্য চায়। দিল্লির শ্রফ আই সেন্টারের নাম উল্লেখ করে চিকিৎসার কাগজপত্র শেয়ার করা হয়। আধার কার্ড ও পেমেন্ট ডিটেইলসও দেওয়া হয়।পোস্টটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সে দাবি করে যথেষ্ট টাকা উঠে গেছে। স্ক্রিনশট শেয়ার করে দেখায় ১ লাখ ৫৮ হাজার ২৮২ টাকা সংগৃহীত হয়েছে।

Advertisements


   


   

এরপর পোস্টগুলো মুছে ফেলা হয় এবং আর টাকা না পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়।কিন্তু শীঘ্রই সন্দেহ জাগে। শ্রফ আই সেন্টার ইনস্টাগ্রামে সতর্কবার্তা জারি করে জানায়, কেউ তাদের লেটারহেড ব্যবহার করে জাল রোগীর রেকর্ড, প্রেসক্রিপশন ও খরচের হিসাব তৈরি করেছে। তারা এনজিও ও ব্যক্তিদের কাছে সাহায্য চাইছিল। হাসপাতাল স্পষ্ট করে দেয় যে এসব নথি তাদের নয়।এরপর অনলাইনে তোলপাড় শুরু হয়।

দাতারা প্রশ্ন তোলে। এক্স স্পেসে জয়ের সঙ্গে কথা হয়। (fake medical)সেখানে সে স্বীকার করে টাকাটা আসলে বাবার চিকিৎসার জন্য তোলা হয়েছিল। বোনের নাম ব্যবহার করা হয়েছিল সহানুভূতি পাওয়ার জন্য। পরে সে টাকা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেয়।

এই ঘটনা সামাজিক মাধ্যমের ভাইরাল সংস্কৃতির এক কঠিন শিক্ষা দিয়েছে। চিকিৎসার জরুরি আবেদন দ্রুত মানুষের বিশ্বাস অর্জন করে। যাচাইয়ের আগেই টাকা চলে যায়। সহানুভূতি ও বিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে প্রতারণা করা হয়। অনেকেই ছোট ছোট অঙ্কের টাকা দিয়ে সাহায্য করতে চেয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত প্রতারণার শিকার হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *