জয়সলমীরে বেলজিয়ামভিত্তিক NGO তে অবৈধ টাকা-ধর্মান্তকরণের অভিযোগে ইডি অভিযান
জয়সলমীর: রাজস্থানের জয়সলমীরে একটি বেলজিয়ামভিত্তিক (ED raids)এনজিওর সঙ্গে যুক্ত একাধিক স্থানে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি তল্লাশি চালিয়েছে। ধর্মান্তরকরণ সংক্রান্ত তদন্তের অংশ হিসেবে এই অভিযান চালানো…
জয়সলমীর: রাজস্থানের জয়সলমীরে একটি বেলজিয়ামভিত্তিক (ED raids)এনজিওর সঙ্গে যুক্ত একাধিক স্থানে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি তল্লাশি চালিয়েছে। ধর্মান্তরকরণ সংক্রান্ত তদন্তের অংশ হিসেবে এই অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ইডি। ইডির অভিযোগ, বিদেশ থেকে পাঁচ কোটি টাকারও বেশি অর্থ দুই ব্যক্তির কাছে এসেছে, যা অরক্ষিত ও দুর্বল অংশের মানুষের মধ্যে ধর্মপ্রচার ও ধর্মান্তরকরণের কাজে ব্যবহার করা হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
তদন্ত সংস্থার দাবি, এই বিদেশি অনুদানের কোনো যথাযথ হিসাব রাখা হয়নি। (ED raids)উল্লেখযোগ্য পরিমাণে নগদ অর্থ তোলা হয়েছে এবং একাধিক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে লেনদেন করা হয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে ব্যাংক নির্দিষ্ট রেমিট্যান্স গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানালে অন্য অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে অর্থ পাচারের চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এই অনিয়মের ভিত্তিতেই জয়সলমীরের সংশ্লিষ্ট স্থানগুলিতে তল্লাশি অভিযান চালানো হয়।
আরও দেখুনঃ যোগী রাজ্য উত্তরপ্রদেশকে ৪ রাজ্যে ভাঙার প্রস্তাব মন্ত্রী ওম প্রকাশ রাজভরের
ইডির প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, বেলজিয়াম থেকে আসা এই তহবিল দুই ব্যক্তির নামে এসেছে। (ED raids)তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, অর্থের উৎস ও ব্যবহারের বিষয়ে স্বচ্ছতা না রেখেই বড় অঙ্কের লেনদেন করা হয়েছে। বিদেশি অনুদান গ্রহণের ক্ষেত্রে যে নিয়মকানুন মেনে চলার কথা, তা উপেক্ষা করা হয়েছে বলে সংস্থাটি দাবি করেছে। নগদ উত্তোলনের পরিমাণও স্বাভাবিক বলে মনে করা হয়নি। তদন্তকারীরা বলছেন, এই অর্থ কীভাবে এবং কারা ব্যবহার করেছেন, সে বিষয়ে আরও গভীর তদন্ত চলছে।
Advertisements
ধর্মান্তরকরণ সংক্রান্ত অভিযোগ সামাজিকভাবে সংবেদনশীল বিষয়। (ED raids)ইডি স্পষ্ট করেছে যে তাদের তদন্ত মূলত অর্থের উৎস, গন্তব্য এবং হিসাবরক্ষণের অনিয়মকে কেন্দ্র করে। বিদেশি তহবিল এনে দুর্বল অংশের মানুষের মধ্যে ধর্মপ্রচারের কাজে ব্যবহারের অভিযোগকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। তল্লাশির সময় বিভিন্ন নথিপত্র, ইলেকট্রনিক ডিভাইস এবং অন্যান্য প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
এই ঘটনায় স্থানীয় মহলেও আলোচনা শুরু হয়েছে। কেউ কেউ বলছেন, বিদেশি অর্থায়নে পরিচালিত কোনো কার্যক্রম যদি স্বচ্ছ না হয়, তাহলে তদন্ত হওয়া উচিত। আবার কেউ কেউ সতর্ক করে দিচ্ছেন যে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার আগেই সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক নয়। ইডি এখনও তদন্তের প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে আরও সময় লাগবে।
বিদেশি অনুদান সংক্রান্ত আইনে বেশ কিছু কঠোর বিধান রয়েছে। (ED raids)এফসিআরএ বা ফরেন কন্ট্রিবিউশন রেগুলেশন অ্যাক্ট অনুযায়ী বিদেশি অর্থ গ্রহণ ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হয়। হিসাব রাখা, ব্যাংকিং চ্যানেল ব্যবহার এবং উদ্দেশ্য স্পষ্ট করা বাধ্যতামূলক। ইডির অভিযোগ, এই ক্ষেত্রে সেই নিয়মগুলি যথাযথভাবে পালন করা হয়নি। ব্যাংক আপত্তি জানানোর পরও অন্য পথে অর্থ সরানোর চেষ্টা করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে আরও তথ্য সামনে আসতে পারে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ এবং নথিপত্র যাচাইয়ের কাজ চলছে। পাঁচ কোটি টাকারও বেশি বিদেশি তহবিল, নগদ উত্তোলন এবং একাধিক অ্যাকাউন্টের ব্যবহার এই বিষয়গুলি তদন্তের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। জয়সলমীরের মতো এলাকায় এ ধরনের অভিযোগ উঠলে স্থানীয় প্রশাসনও বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে।