বাড়ি ফেরার পথে দম্পতিকে পিষে দিল বাস, ঘটনাস্থলেই মৃত্যু স্বামীর, আশঙ্কাজনক স্ত্রী
স্ত্রীকে নিয়ে বাইকে বাড়ি ফেরার পথে বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে মৃত্যু হলো জাহাঙ্গীর মণ্ডল (৪১) নামে এক যুবকের। গুরুতর জখম তাঁর স্ত্রী সেলিনা বিবি। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। সোমবার নদিয়ার করিমপুরের নতিডাঙ্গা মোড়ে এই দুর্ঘটনার প্রতিবাদে প্রায় আধ ঘণ্টা রাস্তা অবরোধ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
এক নজরে
-
নদিয়ার করিমপুরের নতিডাঙ্গা মোড়ে বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে মৃত্যু জাহাঙ্গীর মণ্ডলের (৪১)।
-
স্ত্রীকে নিয়ে বাইকে বাড়ি ফেরার সময় তাঁদের বাইকে ধাক্কা মারে একটি বাস।
-
দুর্ঘটনায় গুরুতর জখম হন জাহাঙ্গীরের স্ত্রী সেলিনা বিবি, আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি তিনি।
-
দুর্ঘটনার প্রতিবাদে প্রায় আধ ঘণ্টা নতিডাঙ্গা মোড়ে রাস্তা অবরোধ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
-
পুলিশ এসে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলার পর অবরোধ উঠে যায় এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গিয়েছে, করিমপুরের রামকৃষ্ণ পল্লিতে থাকতেন জাহাঙ্গীর। এদিন স্ত্রীকে নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। নতিডাঙ্গা মোড়ের কাছে তাঁদের বাইকে ধাক্কা মারে একটি বাস। দু’জনেই রাস্তায় ছিটকে পড়েন। বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় জাহাঙ্গীরের।
গুরুতর জখম হন সেলিনা। তাঁকে উদ্ধার করে করিমপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় সেখান থেকে তাঁকে শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে স্থানান্তর করেন চিকিৎসকরা। বর্তমানে সেখানেই চিকিৎসাধীন তিনি। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে।
দুর্ঘটনার পর ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। নিরাপত্তায় গাফিলতির অভিযোগ তুলে নতিডাঙ্গা মোড়ে রাস্তা অবরোধ করেন তাঁরা। প্রায় আধ ঘণ্টা ধরে চলে অবরোধ। আটকে পড়ে বেশ কিছু বাস-লরি। যানজট বেঁধে যায়। পরে পুলিশ এসে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। অবরোধ উঠে যায়।
FAQ
কোথায় দুর্ঘটনাটি ঘটেছে?
নদিয়ার করিমপুরের নতিডাঙ্গা মোড়ে দুর্ঘটনাটি ঘটে।
দুর্ঘটনায় কে মারা গিয়েছেন?
জাহাঙ্গীর মণ্ডল (৪১) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।
জাহাঙ্গীরের সঙ্গে কে ছিলেন?
তাঁর স্ত্রী সেলিনা বিবি বাইকে তাঁর সঙ্গে ছিলেন।
দুর্ঘটনায় সেলিনা বিবির কী হয়েছে?
তিনি গুরুতর জখম হয়েছেন। প্রথমে করিমপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা কেন রাস্তা অবরোধ করেন?
পথ নিরাপত্তায় গাফিলতির অভিযোগ তুলে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ করেন।
কতক্ষণ রাস্তা অবরোধ ছিল?
প্রায় আধ ঘণ্টা ধরে অবরোধ চলে। পরে পুলিশ গিয়ে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বললে অবরোধ উঠে যায়।