Somnath on Mamata: 'আমার অভিশাপ লেগেছে...নির্বাচন কমিশন প্রতীক ফিজ করেই রাখুক', মুখ খুললেন জোড়াফুলের লোগোর 'সৃষ্টিকর্তা' সোমনাথ | Somnath chowdhury said he make tmc logo not mamata banerjee - 24 Ghanta Bangla News
Home

Somnath on Mamata: ‘আমার অভিশাপ লেগেছে…নির্বাচন কমিশন প্রতীক ফিজ করেই রাখুক’, মুখ খুললেন জোড়াফুলের লোগোর ‘সৃষ্টিকর্তা’ সোমনাথ | Somnath chowdhury said he make tmc logo not mamata banerjee

Spread the love

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে বললেন সোমনাথImage Credit: Tv9 Bangla

কলকাতা: “কাউকে দিতে হবে না আমার আঁকা প্রতীক,নির্বাচন কমিশন আজীবন ফ্রিজ করে রেখে দিক।” বিস্ফোরক জোড়াফুল প্রতীকের শিল্পী সোমনাথ চৌধুরী। শুক্রবার তৃণমূলের প্রতীক ফ্রিজ করেছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। তারপর এই প্রথম মন্তব্য করেছেন সোমনাথ। প্রতীক ফ্রিজ নিয়ে কমিশনকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, “আমি নির্বাচন কমিশনকে এবং নির্বাচন কমিশনারকে দুজনকেই ধন্যবাদ জ্ঞাপন করব। নির্বাচন কমিশন যেন এই জোড়া ফুল প্রতীকটিকে সর্বদা ফ্রিজ করে রাখে।”

সোমনাথ বলেন, “এই প্রতীক আমার আঁকা। আমাকে কখনো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বীকৃতি দেননি। চুরি করেছিল আমার আঁকা প্রতীক। তখন ক্ষমতায় ছিল। তাই বলতে পারতাম না। অজিত পাঁজা অনুরোধে করেছিলাম। আমি তৃণমূল ছাত্রপরিষদ করতাম। সেই সময়ই অজিত পাঁজা বলেছিলেন ফুলের উপর কিছু করতে হবে। তারপর সেটা করেছিলাম। আমায় টাকা দিতে চেয়েছিলেন, কিন্তু আমি নিইনি। আমায় বলেছিলেন সারপ্রাইজ দেব। দুপুরে টিভি চালিও। তারপর দেখি ওই ফুলটা হাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।”

তিনি আরও বলেন, “এরপর আমায় একটা বন্ধু ফোন করে বলল টিভিটা দেখ। তখন আমি দেখছি, উনি বলছেন আমি মামার বাড়ি রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলাম। সেই সময় কাশফুল দেখে ভাবি কিছু করব। তারপর পেনসিল নিয়ে বসে পড়লাম। নিজে হাতে ফুল করে ফেলাম। আমি এটা শুনে ডিপ্রেশনে গিয়েছিলাম। কানকে বিশ্বাস করতে পারলাম না। অজিত পাঁজা জোর হাতে বলেছিলেন- তুমি তো জানো ও কেমন। দুমদাম যা পারে করে দেয়।”

এরপরই তিনি বলেন, “এই যে মিথ্যা কর্ম করল। এই জ্যান্ত ফুল নিয়ে বেশিদিন এগোতে পারবেন না। ডিগবাজি খেতেই হবে। অজিতদাকে বলেছিলাম- দিন আমার আসবে। ২৮ বছর অপেক্ষা করেছি। আমি শুধু স্বীকারোক্তি চেয়েছিলাম। স্বীকৃতি কেন দেবে না? এটাই বক্তব্য ছিল।”

তিনি বলেছেন, “আমি নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ জানাব। বলব এটা ফ্রিজেই থাকুক। এই প্রতীকের মালিক আমি। এটা কাউকে দেব। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় আমার কাছে এসে চিঠি লিকে চাইলে দেব। আমার মনে অভিশাপ নিয়ে দল চালাচ্ছিল। আমি তো জ্যান্ত মানুষ। আমার হাই লাগবে। সেটা লাগল তো। সব ব্যাপারে আমিত্ব।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *