নন্দীগ্রামে ‘খাম’ প্রতীক হাতছাড়া আইএসএফের, পাচ্ছেন ঋতরাই, সিদ্ধান্ত কমিশনের
নির্বাচন কমিশনের কাছে মমতা-শিবির মোট দুটি প্রতীক পাঠিয়েছিল। তার মধ্যে কমিশন ‘ফুটবলার’ প্রতীক ধার্য করেছে। অন্যদিকে বিদ্রোহী শিবিরের প্রতীক হয়েছে ‘খাম’। আর বিভ্রাটও শুরু হয়েছে এখান থেকেই। কারণ, আইএসএফের নির্বাচনী প্রতীকও ‘খাম’। গত বিধানসভা নির্বাচনে ভাঙড় থেকে নওসাদ সিদ্দিকি ওই চিহ্নে জয়ী হয়েছিলেন। ইতিমধ্যে নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে আইএসএফ নিজেদের প্রার্থী দিয়েছে। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, একই কেন্দ্রে ঋতব্রতের নেতৃত্বাধীন ‘ডেমোক্রেটিক তৃণমূল কংগ্রেস’-ও একই প্রতীকে লড়বে কী করে?
নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য, ‘আইএসএফ আদতে একটি রেজিস্টার্ড আনরেকগনাইজ়ড রাজনৈতিক দল। বিধানসভা নির্বাচনের সময়ে ১৯৬৮–র সিম্বল (রিজার্ভেশন অ্যান্ড অ্যালটমেন্ট) নির্দেশ মেনে তাদের জন্য ফ্রি সিম্বল হিসেবে ‘খাম’ বরাদ্দ করা হয়েছিল। এই নির্দেশের ১০-এ ধারায় জাতীয় ও রাজ্যস্তরের রাজনৈতিক দলগুলির প্রতীক সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছে। ফলে, তাদের প্রতীক অন্য দল ব্যবহার করতে পারে না। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন কমিশনের স্বীকৃত ৮টি দল রয়েছে। এর মধ্যে জাতীয় দল ৬টি এবং রাজ্য দল দুটি। রাজ্য দলের তালিকায় এআইটিএমসি ও ফরওয়ার্ড ব্লক রয়েছে। এই দুই দলের প্রতীক যথাক্রমে ‘জোড়াফুল’ এবং ‘সিংহ’ স্বাভাবিক নিয়মেই কেউ ব্যবহার করতে পারে না।