‘ভোট চুরি, সরকার চুরির পর এবার পার্টি চুরি!’ নির্বাচন কমিশনকে তীব্র আক্রমণ রাহুলের
নয়াদিল্লি: তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও ‘জোড়াফুল’ প্রতীক ফ্রিজ করার নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পোস্টে…
নয়াদিল্লি: তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও ‘জোড়াফুল’ প্রতীক ফ্রিজ করার নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পোস্টে তিনি সোজা নিশানানাথ করেছেন কেন্দ্র ও কমিশনের দিকে। রাহুলের স্পষ্ট অভিযোগ, ভোট চুরি ও সরকার চুরির পর এবার সরাসরি ‘পার্টি চুরি’ করছে বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশন যৌথভাবে। পরিকল্পিতভাবে রাজনৈতিক দলগুলিকে দু’টুকরো করে তাদের নির্বাচনী প্রতীক কেড়ে নেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করেছেন তিনি।
শিবসেনা ও এনসিপির প্রসঙ্গ টেনে রাহুল গান্ধী বলেন, যেভাবে আগে বিরোধী দলগুলিকে ভাঙানো হয়েছিল, ঠিক একই প্যাটার্নে এবার বাংলায় তৃণমূলের ওপর এই আঘাত নামিয়ে আনা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন তাদের সাংবিধানিক কর্তব্য ভুলে জনমত পাল্টে দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। শুধু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একা নন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন চাওয়ার পক্ষে প্রতিটি রাজনৈতিক দল ও ভোটারের এই লড়াইয়ে শামিল হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন কংগ্রেস সাংসদ।
নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রদেশ কংগ্রেসের প্রশ্ন
অন্যদিকে, প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বও কমিশনের এই পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেছে। তাদের অভিযোগ, অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে রেজিনগর ও নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের মনোনয়ন পর্ব ও স্ক্রুটনির কাজ শেষ হওয়ার ঠিক পরেই এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মহারাষ্ট্র মডেলেই যে পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের প্রতীক ও নাম নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হলো, তা স্পষ্ট করে দিয়েছে যে এই সিদ্ধান্তের পেছনে রাজনৈতিক অভিসন্ধি রয়েছে।
‘তৃণমূল কংগ্রেস (এম)’! জোড়াফুল হারিয়ে নতুন নাম খুঁজছে মমতা-ঋতব্রত শিবির
Advertisements
দিল্লিতে নৃশংসতা: গণধর্ষণ করে খুন, মাঠে ফেলে দেওয়া হল নাবালিকার দেহ