জাল নথিতে রেজিস্ট্রেশনে ১৫ বছরের নথি ফের যাচাই
শুধু নথি যাচাই নয়, গোটা প্রক্রিয়ায় কড়া নজরদারির নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। এ বার থেকে প্রতিদিন সভাপতিকে জানাতে হবে— কতগুলি রেজিস্ট্রেশন পরীক্ষা হলো, কতগুলি যাচাই শেষ, কোথায় অসঙ্গতি মিলল, কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং কতগুলি এখনও বাকি। অভিযোগ ওঠা পাঁচ জনের রেজিস্ট্রেশন বাতিলের পাশাপাশি কাউন্সিলের ওয়েবসাইট ও ডিজিটাল রেকর্ড থেকে তাঁদের তথ্য সরানোরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাতিলের বিজ্ঞপ্তি বাংলা, ইংরেজি ও হিন্দি সংবাদপত্রেও প্রকাশ করতে বলা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক (সিএমওএইচ) এবং পুলিশ সুপারদের কাছেও পাঠাতে হবে সেই তথ্য।
এরই মধ্যে কাউন্সিলের ওয়েবসাইট বুধবার সকাল থেকে অচল থাকা নিয়েও কড়া পদক্ষেপ করেছেন সভাপতি। ওয়েবসাইট দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকায় দায়িত্বপ্রাপ্ত দপ্তর, আধিকারিক, ভেন্ডর বা পরিষেবা প্রদানকারীর কাছে লিখিত ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। কেন পরিষেবা বন্ধ, কার গাফিলতি, কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং কবে ওয়েবসাইট পুরোপুরি সচল হবে— এই চারটি বিষয়ে দ্রুত রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। সভাপতির আরও নির্দেশ — বিষয়টিকে জনস্বাস্থ্য, রোগীস্বার্থ এবং চিকিৎসা পেশার স্বচ্ছতার সঙ্গে যুক্ত করে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারে ব্যবস্থা নিতে হবে।