Vishwakarma Puja 2026: বিশ্বকর্মা পুজোয় কীভাবে করবেন গাড়ির পুজো? | Vishwakarma Puja 2026: Auspicious Timings, Muhurat and Vehicle Worship Rules
বিশ্বকর্মা পুজো (Vishwakarma Puja) মানেই আকাশে রঙের মেলা আর কারখানায় ছুটির আমেজ! দেবশিল্পী বিশ্বকর্মাকে বলা হয় এই বিশ্বের প্রথম ইঞ্জিনিয়ার। যাঁর বাড়িতে গাড়ি, বাইক বা ছোট-বড় কোনও যন্ত্রপাতি আছে, তাঁর কাছে এই দিনটির গুরুত্ব অনেক। হিন্দু পুরাণ মতে, দেবলোক, সোনার লঙ্কা বা শ্রীকৃষ্ণের দ্বারকা, সবই তাঁর নিপুণ হাতে তৈরি। সেই বিশ্বকর্মার আরাধনার দিনে সাধের গাড়ি বা বাইকের পুজো কীভাবে করবেন?
জ্যোতিষীদের মতে, সূর্য যেদিন সিংহ রাশি ছেড়ে কন্যা রাশিতে যায়, ঠিক সেদিনই এই পুজো হয়। একে বলা হয় কন্যা সংক্রান্তি। বেণীমাধব শীলের ফুল পঞ্জিকা (BeniMadhab Sil Full Panjika) অনুযায়ী, ২০২৬ সালের বিশ্বকর্মা পুজো হবে আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার। বাংলা ক্যালেন্ডারের পাতা খুললে দেখা যাবে, দিনটি হল ৩১ ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ। প্রতি বছর ভাদ্র মাসের শেষ দিনে অর্থাৎ সংক্রান্তির দিন এই পুজো করা হয়।
গাড়ি ও যন্ত্রপাতির পুজো কীভাবে করবেন?
নিয়ম খুব সহজ। শাস্ত্রবিদদের মতে ভোরে উঠে স্নান করে নিন। তারপর নিজের কাজের জায়গা বা যন্ত্রপাতি ভালো করে ধুয়ে মুছে গঙ্গার জল ছিটিয়ে শুদ্ধ করুন। পুজোর জায়গায় একটি পরিষ্কার মোড়ার উপর লাল বা হলুদ কাপড় পাতুন। তাতে আট পাপড়ির একটি পদ্মফুল এঁকে কলস ও ঠাকুরের মূর্তি বসান। এবার সব যন্ত্রপাতিতে চন্দন, সিঁদুর ও হলুদের ফোঁটা দিন। এরপর ধূপ ও প্রদীপ জ্বেলে আরতি করুন। শেষে ফল, ফুল ও মিষ্টি দিয়ে পুজো সেরে পরিবারের সবার সঙ্গে প্রসাদ ভাগ করে নিন।
সাধের গাড়ি বা বাইকের জন্য বিশেষ নিয়ম
শাস্ত্রবিদরা বলছেন পুজোর আগে গাড়ি পরিষ্কার করা অত্যন্ত জরুরি! ইঞ্জিনের গায়ে বা গাড়ির সামনে সিঁদুর দিয়ে স্বস্তিক চিহ্ন আঁকতে কখনও ভুলবেন না। গাড়ির চাকা ও স্টিয়ারিংয়েও দিন সিঁদুর ও হলুদের ফোঁটা (তিলক)। সামনে সুন্দর একটি ফুলের মালা ঝুলিয়ে দিন। এরপর ঠাকুরের নাম নিয়ে ধূপ দেখিয়ে আরতি করুন ও গাড়ির সুরক্ষার জন্য মন থেকে প্রার্থনা করুন। পুজো শেষে গাড়ির সামনে বা চাকার কাছে একটি ডাব বা ফল কেটে নিবেদন করতে পারেন। বিশ্বাস করা হয়, ভক্তি ভরে এই পুজো করলে ব্যবসায় যেমন উন্নতি হয়, তেমনই কাজের পথের সব বাধাও দূর হয়ে যায়।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই প্রতিবেদনে দেওয়া তথ্যগুলি প্রচলিত বিশ্বাসের উপর নির্ভর করে লেখা হয়েছে। ধর্মীয় কোনও নিয়ম পালনের আগে প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলে নেওয়া ভালো।