Kunal Ghosh FIR: মুখ্যমন্ত্রীর কাছে কাকলীর নালিশ করতেই থানায় ডাক পরল কুণালের | FIR Filed Against Kunal Ghosh after NCPI MP Kakali Ghosh Dastidar’s Complaint to CM Suvendu Adhikari
কাকলীর অভিযোগের পরই এফআইআর কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে।Image Credit: TV9 বাংলা
মুখ্যমন্ত্রীকে ‘নালিশ’ কাকলীর-
সমাজমাধ্যমের লড়াই এবার আইনি লড়াইয়ে পরিণত হল। বারাসতের তৃণমূলত্যাগী সাংসদ কাকলী ঘোষ দস্তিদার। বর্তমানে তিনি এনসিপিআই দলের নেত্রী। তিনি সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে অভিযোগ জানিয়েছিলেন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে। নবান্নে গিয়ে ফাইল সহ অভিযোগ জমা দেন। কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানান যে তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা পোস্টের মাধ্যমে কাকলী ও তাঁর পরিবারকে অপমান, আক্রমণ করেছেন। এতে অসম্মানিত বোধ করেছেন এনসিপিআই নেত্রী।
তিনি এই অভিযোগ জানানোর কয়েকদিনের মধ্য়েই সাড়া দিল প্রশাসন। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে কাকলীর অভিযোগ জানানোর ছয়দিনের মধ্যেই কুণাল ঘোষের নামে এফআইআর দায়ের হল বারাসত থানায়। তাঁকে সশরীরে হাজিরার জন্য তলব করা হয়েছে।সূত্রের খবর, আগামিকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবারই থানায় হাজিরা দিতে পারেন কুণাল ঘোষ।
কী বলছেন কুণাল ঘোষ?
কুণাল ঘোষ প্রতিক্রিয়া দিয়ে বলেন, “আমি অবশ্যই যাব। যখনই এইসব আইনি ব্যাপার, তলব থাকে, তখন আমি পারলে নির্দিষ্ট সময়ের আগেই পৌঁছে যাওয়ার চেষ্টা করছি। আমি কোনও অপরাধ করিনি। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই ডাকা হয়েছে আমাকে। পুলিশ নিজের কাজ করেছে। আমি আমার কাজ করব।”
সহযোদ্ধা থেকে প্রতিপক্ষ হয়ে ওঠার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “আমি তো নির্দিষ্টভাবে জানি না কার অভিযোগ। অনুমান করতে পারি যে কেউ কেউ নবান্নে গিয়ে কীসব অভিযোগ করেছিলেন, তার ভিত্তিতে হয়তো মুখ্যমন্ত্রী পুলিশকে বলেছেন অ্যাকশন নিতে। এগুলি সবই আন-অফিসিয়ালি শোনা। অফিসিয়ালি জানি না। আমি যদি কাউকে আমার দলের প্রতীকে, আমার দলের সাংসদ হিসাবে জিতে অন্য দলে জেতে চান, তবে আমি তাঁকে বিশ্বাসঘাতক, গদ্দার বলেছি, আমি মামলা খেলেও বিশ্বাসঘাতক, গদ্দার বলব। না করলেও বলব। আর মামলা করে তো আমার বয়ান পাল্টানো যাবে না।”
এদিকে, কাকলীর অভিযোগের ভিত্তিতে এফআইআর দায়ের হচ্ছে যখন, তখনই পাইথনের সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করেন কুণাল ঘোষ এবং লেখেন যে বেইমানদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার। এই পোস্টের ব্যাখ্যা দিয়ে বেলেঘাটার বিধায়ক বলেন, “মানুষ সব দেখছেন। সব দলেরই অনেক ভালো কাজ আছে, কোথাও কারোর কোনও ভুল-ত্রুটি থাকতে পারে। একটা দল থেকে জিতে যদি কেউ অন্য দলে যেতে চায় বা এই যে বিশ্বাসঘাতকতা মানুষের সঙ্গে, ফলে তাদের কাছে কাগজে-কলমে রাষ্ট্রযন্ত্রের মদতে কী ক্ষমতা রইল, সেটা তো পরের কথা। মানুষ বা কর্মীরা তো তাঁকে সমর্থন করবেন না। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে তাদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার।”