সারাদেশে দেওয়া হচ্ছে বোমা হামলার হুমকি! মোদী রাজ্যে ফাঁস বাংলাদেশি যোগসূত্র - 24 Ghanta Bangla News
Home

সারাদেশে দেওয়া হচ্ছে বোমা হামলার হুমকি! মোদী রাজ্যে ফাঁস বাংলাদেশি যোগসূত্র

Spread the love

গুজরাট পুলিশের সাইবার সেন্টার অফ এক্সিলেন্স এক বড় সাফল্য অর্জন করেছে।( Bomb Threat ) আন্তঃরাজ্য বোমা হুমকি ইমেল নেটওয়ার্ক ভেঙে দিয়েছে তারা। এই নেটওয়ার্কের সঙ্গে…

গুজরাট পুলিশের সাইবার সেন্টার অফ এক্সিলেন্স এক বড় সাফল্য অর্জন করেছে।( Bomb Threat ) আন্তঃরাজ্য বোমা হুমকি ইমেল নেটওয়ার্ক ভেঙে দিয়েছে তারা। এই নেটওয়ার্কের সঙ্গে বাংলাদেশের যোগসূত্রও উঠে এসেছে বলে তদন্তে জানা গেছে। বিহার ও ঝাড়খণ্ড থেকে দুই মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশের হাতে উদ্ধার হয়েছে পাঁচ লাখ তেরো হাজার আটশো সাতচল্লিশটি ইউনিক ইমেল আইডি ও পাসওয়ার্ডের তালিকা।

এসব অ্যাকাউন্ট হুমকিমূলক ইমেল পাঠানো এবং অন্যান্য সাইবার অপরাধের জন্য তৈরি করা হয়েছিল বলে অভিযোগ।ঘটনার সূত্রপাত হয় ১০ সেপ্টেম্বর। গুজরাট সরকারের আইন ও সংসদীয় বিষয়ক দফতরে একটি ইমেল আসে। তাতে গুজরাট বিধানসভা, মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয়, প্রধানমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অফিসসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বোমা হামলার হুমকি দেওয়া হয়। সম্প্রতি দিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলনে ভারতের সঙ্গে সহযোগিতাকারী দেশগুলোর বিরুদ্ধেও হুমকি ছিল।

আরও দেখুনঃ পুজোর মরশুমে যুবক-যুবতীদের জন্য ২.৫ লক্ষ কর্মসংস্থানের দরজা খুলল ফ্লিপকার্ট

প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ করে ইমেলের ডিজিটাল পথ ধরে গুজরাট পুলিশ বিহারের ভাগলপুরে পৌঁছায়। সেখান থেকে রোশন কুমারকে গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান, ইমেল আইডিটি তাঁকে যোগান দিয়েছিলেন ঝাড়খণ্ডের দেওঘরের গুলশন কুমার সিং। এরপর স্থানীয় পুলিশের সহায়তায় গুলশনকেও গ্রেফতার করা হয়।

Advertisements


   


   

তদন্তে উঠে এসেছে যে গুলশন এই বিশাল ইমেল ডাটাবেস তৈরি ও সরবরাহের মূল হোতা।( Bomb Threat ) তিনি অন্যান্য অভিযুক্তদের কাছে আইডি ও পাসওয়ার্ড পাঠাতেন। বাংলাদেশে অবস্থানরত সহযোগীদের সঙ্গেও তাঁর যোগাযোগ ছিল। তদন্তকারীরা দাবি করেছেন, নেটওয়ার্কটি বাংলাদেশ থেকে আর্থিক সহায়তা পেত। ক্রিপ্টোকারেন্সি ওয়ালেট ব্যবহার করে লেনদেন হতো। নির্দেশনাও সেখান থেকে আসত বলে প্রাথমিক তথ্যে উঠে এসেছে।

এই অভিযান গুজরাট, বিহার ও ঝাড়খণ্ড তিন রাজ্যের সমন্বিত প্রচেষ্টায় সম্পন্ন হয়েছে। গুজরাটের সাইবার বিশেষজ্ঞ দল স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে মিলিত হয়ে কাজ করেছে। উদ্ধারকৃত ইমেল তালিকা এত বিশাল যে এখনও বিস্তারিত যাচাই চলছে। এগুলো শুধু হুমকি পাঠানোর জন্য নয়, স্কুল, কলেজ, আদালত ও সরকারি অফিসে বিভ্রান্তি সৃষ্টির পাশাপাশি অন্যান্য সাইবার অপরাধেও ব্যবহারের পরিকল্পনা ছিল বলে পুলিশ মনে করছে।

গুজরাটের উপমুখ্যমন্ত্রী হর্ষ সাংঘভি এই সাফল্যের প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেছেন, সাইবার সেন্টার অফ এক্সিলেন্সের এই অভিযান আন্তঃরাজ্য ও আন্তঃসীমান্ত অপরাধী নেটওয়ার্ক ভাঙার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। হুমকিমূলক ইমেল পাঠিয়ে জনগণ ও প্রশাসনে আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা নতুন নয়। কিন্তু এত বড় আকারের ইমেল ডাটাবেস উদ্ধার হওয়া বিরল ঘটনা।তদন্ত এখনও চলছে।

বাংলাদেশের যোগসূত্র আরও গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ক্রিপ্টো লেনদেনের পথ ধরে অর্থের উৎস খোঁজার চেষ্টা চলছে। অন্য কোনো রাজ্য বা সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ আছে কি না, তাও যাচাই করা হচ্ছে। অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত রয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, পুরো নেটওয়ার্কের বিস্তার এবং অন্যান্য সদস্যদের পরিচয় উদঘাটন করাই এখন মূল লক্ষ্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *