বৃষ্টির দাপটে খুলতে হল ফারাক্কার সবকটি গেট! বন্যার আশংকা রাজশাহীতে - 24 Ghanta Bangla News
Home

বৃষ্টির দাপটে খুলতে হল ফারাক্কার সবকটি গেট! বন্যার আশংকা রাজশাহীতে

Spread the love

শিলিগুড়ি: বৃষ্টির দাপটে খুলে দেওয়া হয়েছে ফারাক্কা ব্যারেজের সবগুলো গেট। (Farakka)উজানে জলের চাপ বাড়ায় ১০৯টি গেটই খোলা হয়েছে। এর প্রভাবে পদ্মা নদীতে জল দ্রুত বাড়ছে।…

farakka-gates-open

শিলিগুড়ি: বৃষ্টির দাপটে খুলে দেওয়া হয়েছে ফারাক্কা ব্যারেজের সবগুলো গেট। (Farakka)উজানে জলের চাপ বাড়ায় ১০৯টি গেটই খোলা হয়েছে। এর প্রভাবে পদ্মা নদীতে জল দ্রুত বাড়ছে। রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ এলাকায় বন্যার আশঙ্কা তীব্র হয়ে উঠেছে।রাজশাহীতে পদ্মার জল গত কয়েক দিনে প্রায় দুই মিটার বেড়েছে। কর্তৃপক্ষ সতর্ক করেছে যে জল আরও বাড়তে পারে। চাঁপাইনবাবগঞ্জেও একই পরিস্থিতি।

নদীর চরাঞ্চলের অনেক এলাকা ইতিমধ্যে প্লাবিত হয়েছে। বসতি ও কৃষিজমি জলের নিচে চলে যাওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দারা উদ্বিগ্ন।ফারাক্কা ব্যারেজ গঙ্গা নদীর জল নিয়ন্ত্রণ করে। ভারতের উত্তর প্রদেশ ও বিহারে ভারী বৃষ্টির কারণে উজানে জলের স্তর বেড়ে যায়। ব্যারেজের ধারণক্ষমতা ছাড়িয়ে গেলে গেট খুলে জল ছাড়তে হয়। এবারও সেই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

আরও দেখুনঃ বাংলায় মহাকাশ বিজ্ঞানের নয়া দিগন্ত! মালদায় গড়ে উঠবে দেশের নিজস্ব স্পেস সেন্টার

সব গেট খোলার ফলে নিচে পদ্মায় জলের চাপ বেড়েছে। (Farakka)স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, কয়েকটি চর এলাকা ইতিমধ্যে তলিয়ে গেছে। কৃষকদের ফসলের ক্ষতি হচ্ছে। কিছু পরিবারকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। জরুরি প্রস্তুতি চলছে। বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও আশ্রয়কেন্দ্র পরীক্ষা করা হচ্ছে। যদি জল বাড়তে থাকে তাহলে আরও নিচু এলাকা প্লাবিত হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন।

Advertisements


   


   

এই পরিস্থিতি আবারও আন্তঃসীমান্ত নদী ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব তুলে ধরেছে। গঙ্গা-পদ্মা নদী ব্যবস্থা দুই দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বর্ষাকালে জল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রায়ই আলোচনা হয়। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বলা হয়, হঠাৎ জল ছাড়লে নিম্নাঞ্চলে বন্যার ঝুঁকি বাড়ে। ভারতের পক্ষ থেকে বলা হয়, উজানে বন্যা এড়াতে গেট খোলা জরুরি।রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাসিন্দারা প্রতি বছরই এ ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হন।

চরাঞ্চলের মানুষের জীবন নদীর ওঠানামার সঙ্গে জড়িত। (Farakka)এবারও তাঁরা সতর্ক অবস্থায় আছেন। স্থানীয় প্রশাসন ত্রাণ সামগ্রী প্রস্তুত রাখছে। স্বাস্থ্য বিভাগ জলবাহিত রোগের বিরুদ্ধে সতর্কতা জারি করেছে।জল উন্নয়ন বোর্ড নিয়মিত নদীর স্তর পর্যবেক্ষণ করছে। কিছু এলাকায় পানি কমতে শুরু করেছে বলে খবর পাওয়া গেলেও সামগ্রিক পরিস্থিতি এখনও উদ্বেগজনক। আগামী এক-দুই দিনে পানির গতিবিধি নির্ধারণ করবে কতটা এলাকা প্লাবিত হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *