আর নয় মাদ্রাসা তোষণ! পঞ্চম-অষ্টম শ্রেণীর বৃত্তি এবার মেধার ভিত্তিতে, ঘোষণা শুভেন্দুর - 24 Ghanta Bangla News
Home

আর নয় মাদ্রাসা তোষণ! পঞ্চম-অষ্টম শ্রেণীর বৃত্তি এবার মেধার ভিত্তিতে, ঘোষণা শুভেন্দুর

Spread the love

কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষাক্ষেত্রে বড় সিদ্ধান্ত নিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।( scholarship) তিনি বলেছেন, আগের আমলে পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণির কিছু বৃত্তি নির্দিষ্ট একটি সম্প্রদায়ের ছাত্রছাত্রীদের জন্য…

কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষাক্ষেত্রে বড় সিদ্ধান্ত নিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।( scholarship) তিনি বলেছেন, আগের আমলে পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণির কিছু বৃত্তি নির্দিষ্ট একটি সম্প্রদায়ের ছাত্রছাত্রীদের জন্য সীমাবদ্ধ ছিল। হিন্দু, শিখ, খ্রিস্টান বা বৌদ্ধ ছাত্রছাত্রীরা সেই সুবিধা পেত না। নতুন সরকার সেই ব্যবস্থা বদলে দিয়েছে। এখন বৃত্তি বা সহায়তা ধর্মের ভিত্তিতে নয়, শিক্ষার্থীর প্রয়োজন ও মেধার ভিত্তিতে দেওয়া হবে।

মুখ্যমন্ত্রীর যুক্তি সোজা। তিনি বলেছেন, ছাত্র মানেই ছাত্র। ( scholarship)তাদের কোনো ধর্ম নেই। সরকারের চোখে সব শিক্ষার্থীকে একই নীতিতে দেখা উচিত। এক নীতি, সব ছাত্র। কোনো তোষণ নয়। এই কথাগুলো রাজ্যের শিক্ষা নীতিতে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। সরকারের লক্ষ্য হল, কোনো সম্প্রদায়কে আলাদা সুবিধা না দিয়ে সবার জন্য সমান সুযোগ তৈরি করা।

আরও দেখুনঃ পরকীয়ার জের! হিন্দু প্রেমিকার গায়ে আগুন জ্বালিয়ে নিজেও পুড়ে মরল হামিদুল

পশ্চিমবঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা ও শিক্ষা প্রকল্প নিয়ে বিতর্ক চলে আসছে। আগের সরকারের আমলে কিছু প্রকল্পকে সম্প্রদায়ভিত্তিক বলে সমালোচনা করা হতো। নতুন সরকার সেই সমালোচনাকে গুরুত্ব দিয়ে নীতি বদলের পথে হাঁটছে। ধর্মভিত্তিক ভাতা বন্ধ করার ঘোষণা আগেই এসেছে। এর পরিবর্তে অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের জন্য স্বামী বিবেকানন্দ মেরিট স্কলারশিপের মতো প্রকল্প পুনরায় চালু করা হয়েছে।

Advertisements


   


   

এখানে জাত-ধর্মের বিচার নেই। ( scholarship)শুধু আর্থিক অবস্থা ও মেধা দেখা হবে।মুখ্যমন্ত্রী মনে করেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধর্মের ভিত্তিতে ভাগ করা উচিত নয়। স্কুলে পড়াশোনা করা সব শিশুই সমান। সরকারের দায়িত্ব হল তাদের সবাইকে সমান সুযোগ দেওয়া। এই দৃষ্টিভঙ্গি রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থায় নতুন অধ্যায় শুরু করতে পারে। অনেক অভিভাবক ও শিক্ষক মনে করেন, এমন নীতি সমাজে আরও ঐক্য আনবে।

অন্যদিকে কেউ কেউ বলেন, পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের জন্য বিশেষ সহায়তা প্রয়োজন। তবে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট সব ছাত্রকে এক চোখে দেখা হবে।এই পরিবর্তনের পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক বিতর্ক। তোষণের রাজনীতি বন্ধ করার কথা বিজেপি বহুদিন ধরে বলে আসছে। ক্ষমতায় এসে সরকার সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করার চেষ্টা করছে। শিক্ষা ক্ষেত্রে এই পদক্ষেপ সেই ধারার অংশ।

পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণির মতো প্রাথমিক স্তরেই যদি সমান নীতি প্রয়োগ করা হয়, তাহলে ভবিষ্যতে আরও বড় পরিবর্তন আসতে পারে।রাজ্য সরকারের এই উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা চলছে। সমর্থকরা বলছেন, এতে সমাজে বৈষম্য কমবে এবং সব সম্প্রদায়ের ছেলেমেয়েরা সমান সুযোগ পাবে। সমালোচকরা প্রশ্ন তুলছেন, বাস্তবে কতটা সুবিধা পৌঁছাবে। তবে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে একটা বিষয় পরিষ্কার সরকার আর সম্প্রদায়ভিত্তিক নীতি চালাতে চায় না। ছাত্রছাত্রীদের ধর্ম নয়, তাদের পড়াশোনা ও ভবিষ্যৎই এখন অগ্রাধিকার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *