‘জোর করে কাজ নয়’, Zoho-র নতুন উদ্যোগের ইঙ্গিত শ্রীধর ভেম্বুরের
বেঙ্গালুরু: কাজের পরিবেশকে আরও স্বাভাবিক, সহজ এবং ঝামেলাহীন করে তুলতে নতুন কিছু তৈরি করছে সফটওয়্যার সংস্থা জোহো (Zoho)। সংস্থার সহ-প্রতিষ্ঠাতা শ্রীধর ভেম্বুর সমাজমাধ্যমে দেওয়া একটি…
বেঙ্গালুরু: কাজের পরিবেশকে আরও স্বাভাবিক, সহজ এবং ঝামেলাহীন করে তুলতে নতুন কিছু তৈরি করছে সফটওয়্যার সংস্থা জোহো (Zoho)। সংস্থার সহ-প্রতিষ্ঠাতা শ্রীধর ভেম্বুর সমাজমাধ্যমে দেওয়া একটি পোস্টে এমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন। যদিও নতুন প্রকল্পটি ঠিক কী, তার কোনও নির্দিষ্ট তথ্য এখনও প্রকাশ করেননি তিনি।
ভেম্বুরের বক্তব্যে ইঙ্গিত মিলেছে, কর্মী, ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া এবং প্রযুক্তির মধ্যে সমন্বয় আরও স্বাভাবিক করে তোলাই হতে পারে জোহোর নতুন উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।
‘জোর করে ভালো কাজ করানো যায় না’
এক্স-এ দেওয়া পোস্টে শ্রীধর ভেম্বুর জানিয়েছেন, জোহো দীর্ঘদিন ধরেই বিশ্বাস করে যে মানুষের কাজ সবচেয়ে ভালো হয় যখন কর্মী, প্রক্রিয়া এবং প্রযুক্তি স্বাভাবিকভাবে একসঙ্গে কাজ করে। তাঁর মতে, প্রতিনিয়ত চাপ তৈরি করা, কর্মীদের উপর অতিরিক্ত চাপ প্রয়োগ করা কিংবা আরও বেশি জোর দিয়ে কাজ করানোর চেষ্টা করলেই ভালো ফল পাওয়া যায় না। ভেম্বুরের বক্তব্যের মূল ভাবনা হল, ‘জোর করে ভালো কাজ করানো যায় না।’ এই দর্শনকেই সামনে রেখে জোহো নতুন কিছু তৈরি করছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
Read More: জিও-এয়ারটেলকে পিছনে ফেলে হরিয়ানা সার্কেলে সবচেয়ে বেশি গ্রাহক যোগ করল BSNL
Advertisements
‘কাজ আরও স্বাভাবিকভাবে এগোবে’
নতুন উদ্যোগ সম্পর্কে বিস্তারিত জানাতে গিয়ে ভেম্বুর জানিয়েছেন, এটি এমনভাবে তৈরি করা হচ্ছে যাতে কাজ আরও স্বাভাবিক, মসৃণ এবং কম ঝামেলায় সম্পন্ন করা যায়। তবে নতুন অফারটি কোনও সফটওয়্যার পণ্য, কর্মী ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা, ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া সংক্রান্ত প্রযুক্তি নাকি সম্পূর্ণ নতুন কোনও পরিষেবা, তা এখনও জানা যায়নি। জোহোর সহ-প্রতিষ্ঠাতার পোস্টে কোনও নির্দিষ্ট ফিচার, পণ্যের নাম বা সম্ভাব্য লঞ্চের তারিখও উল্লেখ করা হয়নি।
কর্মী, প্রক্রিয়া ও প্রযুক্তির সমন্বয়
ভেম্বুরের বক্তব্য থেকে অনুমান করা যায়, নতুন প্রকল্পটির কেন্দ্রে থাকতে পারে কর্মীদের সঙ্গে ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া এবং প্রযুক্তির পারস্পরিক যোগাযোগ। বর্তমানে বিভিন্ন সংস্থা কর্মীদের উৎপাদনশীলতা বাড়াতে অটোমেশন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং বিভিন্ন সফটওয়্যার টুল ব্যবহার করছে। জোহোর নতুন উদ্যোগও কাজের এই তিনটি স্তরের মধ্যে সমন্বয় আরও সহজ করার দিকে নজর দিতে পারে। তবে জোহো এখনও প্রকল্পটির নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য বা প্রযুক্তিগত কাঠামো প্রকাশ না করায় এই মুহূর্তে এর সম্ভাব্য ব্যবহার নিয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।
Read More: মহাকাশ গবেষণায় সাফল্য! ১০০ মিলিয়ন তহবিল সংগ্রহ করে রেকর্ড গড়ল স্পেস স্টার্টআপ পিক্সেল
‘নো ফোর্স, জাস্ট ওয়ার্ক দ্যাট ফ্লোস’
পোস্টের শেষে শ্রীধর ভেম্বুর একটি ছোট ট্যাগলাইন ব্যবহার করেছেন, যা সম্ভবত নতুন উদ্যোগটির মূল দর্শনকে তুলে ধরছে, ‘নো ফোর্স। জাস্ট ওয়ার্ক দ্যাট ফ্লোস।’ অর্থাৎ, অতিরিক্ত চাপ নয়, বরং এমন একটি কর্মপ্রক্রিয়া যেখানে কাজ স্বাভাবিকভাবেই এগিয়ে যাবে। শেষে ভেম্বুর জানিয়েছেন, ‘মোর কামিং সুন’, অর্থাৎ শীঘ্রই এই উদ্যোগ সম্পর্কে আরও তথ্য প্রকাশ করা হবে। ফলে জোহোর নতুন অফারটি ঠিক কী হতে চলেছে, তা জানতে সংস্থার পরবর্তী ঘোষণার দিকেই এখন নজর থাকবে।