এক গাড়িতে সফর, ব্রিকসে চর্চায় মোদী-পুতিনের ‘কারপ্লোম্যাসি’
এই সময়: ব্রিকস সামিটে যোগ দিতে শুক্রবারই নয়াদিল্লিতে এসে গিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। আর আবারও দেখা গেল পুতিনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ‘কারপ্লোম্যাসি’ বা এক গাড়িতে সফর করার কূটনীতি। দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর একই গাড়িতে করে ভারত মণ্ডপমে আয়োজিত ইনোপ্রোম শিল্প প্রদর্শনীতে যান মোদী ও পুতিন।
এই ‘কারপ্লোম্যাসি’ বা একসঙ্গে গাড়িতে যেতে কথাবার্তা একটি তুলনামূলক ভাবে নতুন ট্রেন্ড। মোদীকে প্রায়শই দেখা যায় রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে এক গাড়িতে সফর করতে। আগের বছর সাংহাইয়ে এসসিও সামিটেও মোদী ও পুতিন একসঙ্গে গাড়িতে সফর করেছিলেন। এই নিয়ে চতুর্থ বার তাঁদের এক গাড়িতে চড়তে দেখা গেল। পুতিন বিদেশ সফরে তাঁর বুলেটপ্রুফ, বিস্ফোরণ নিরোধক অরাস সেনাট লাক্সারি লিমুজ়িন ব্যবহার করেন।
রুশ প্রেসিডেন্ট নয়াদিল্লিতে পৌঁছেছেন তাঁর দুটি দুর্ভেদ্য ‘ফ্লাইং ক্রেমলিন’ বিমানের একটিতে। দু’টি অবিকল একরকম দেখতে বিমানের কোনটিতে পুতিন ছিলেন তা বোঝা যায়নি। শত্রুদের চোখে ধুলো দেওয়ার জন্যই পুতিনের সফরে সবসময় একরকম দেখতে দুটি বিশেষ বিমান ওড়ে। এগুলিকে ‘ডুমসডে প্লেন’ও বলা হয়। ইলিউশিন ব্র্যান্ডের এই অতি বিশেষ বিমান একবার তেল ভরে ১১ হাজার কিমি উড়তে পারে। রাশিয়ার স্পেশ্যাল ফ্লাইট স্কোয়াড্রন এর দায়িত্বে থাকে। বিমান দু’টিতে রাডার জ্যামিং সুবিধার পাশাপাশি সামরিক কমান্ড সেন্টারও আছে, দরকারে রুশ প্রেসিডেন্ট আর্মি, গোয়েন্দা ও সরকারকে নির্দেশ দিতে পারে আকাশ থেকেই। বিমানে বেডরুম, বিলাসবহুল শৌচাগার, কিচেন, কনফারেন্স এরিয়াও আছে। আছে সোনায় মোড়া নানারকম ফিটিংসও।