ষষ্ঠ তফসিল নয়! লাদাখকে আর্টিকেল ৩৭১-এর অধীনে ‘চ্যাপ্টার কে’ প্রস্তাব শাহের - 24 Ghanta Bangla News
Home

ষষ্ঠ তফসিল নয়! লাদাখকে আর্টিকেল ৩৭১-এর অধীনে ‘চ্যাপ্টার কে’ প্রস্তাব শাহের

Spread the love

লাদাখ: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক লাদাখের জন্য এক নতুন সাংবিধানিক ব্যবস্থার প্রস্তাব নিয়ে এসেছে(Ladakh)। আর্টিকেল ৩৭১-এর অধীনে ‘চ্যাপ্টার কে’ নামে এক নতুন অধ্যায় যোগ করে লাদাখকে…

লাদাখ: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক লাদাখের জন্য এক নতুন সাংবিধানিক ব্যবস্থার প্রস্তাব নিয়ে এসেছে(Ladakh)। আর্টিকেল ৩৭১-এর অধীনে ‘চ্যাপ্টার কে’ নামে এক নতুন অধ্যায় যোগ করে লাদাখকে একটি নির্বাচিত সংস্থা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এই সংস্থা সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হবে এবং জমি, সংস্কৃতি ও ভাষা, বন, পরিবেশ, প্রাকৃতিক সম্পদসহ আর্টিকেল ২৪০-এর আওতায় থাকা বিষয়গুলোতে আইন প্রণয়নের ক্ষমতা পাবে।

সাম্প্রতিক বৈঠকে বেসামরিক সংগঠনগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে এই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়েছে।২০১৯ সালে জম্মু-কাশ্মীর থেকে আলাদা হয়ে লাদাখ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হওয়ার পর থেকেই স্থানীয় মানুষের মধ্যে এক ধরনের অসন্তোষ জমে আছে। আগে যে বিশেষ সুযোগ-সুবিধা ছিল, সেগুলো চলে যাওয়ার পর জমি, চাকরি, সংস্কৃতি ও পরিবেশ রক্ষার আশঙ্কা তৈরি হয়।

আরও দেখুনঃ ডিজেলের কালো ধোঁয়া অতীত! এবার আন্দামান-নিকোবরে তৈরী হবে ৫ পারমানবিক বিদ্যুৎ চুল্লি

লেহ অ্যাপেক্স বডি এবং কার্গিল ডেমোক্রেটিক (Ladakh)অ্যালায়েন্সের মতো সংগঠনগুলো দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যত্ব বা ষষ্ঠ তফসিলের দাবি জানিয়ে আসছিল। এখন কেন্দ্র যে প্রস্তাব দিয়েছে, তাতে পূর্ণ রাজ্যত্ব না দিয়েও এক ধরনের গণতান্ত্রিক কাঠামো তৈরির চেষ্টা দেখা যাচ্ছে।প্রস্তাবিত সংস্থাটি লাদাখের জন্য এক নতুন দরজা খুলে দিতে পারে। এখন পর্যন্ত লাদাখের শাসন ব্যবস্থা মূলত আমলাতন্ত্র এবং লেফটেন্যান্ট গভর্নরের হাতেই।

Advertisements


   


   

স্থানীয় মানুষের সরাসরি অংশগ্রহণ সীমিত। যদি এই নতুন সংস্থা গঠিত হয়, তাহলে জমি হস্তান্তর, বন সংরক্ষণ, পরিবেশ রক্ষা এবং স্থানীয় ভাষা-সংস্কৃতি রক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে স্থানীয় প্রতিনিধিরাই সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। এতে লাদাখের পরিবেশ ও জীবনযাত্রার স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখার সম্ভাবনা বাড়বে।তবে স্থানীয় নেতারা এখনও পুরোপুরি সন্তুষ্ট নন। তারা বলছেন, শুধু পাওয়ারপয়েন্ট উপস্থাপনা দেখিয়ে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, বিস্তারিত খসড়া এখনও হাতে আসেনি।

তারা চান, নতুন কাঠামো বাস্তবায়িত হওয়ার আগে (Ladakh)পর্যন্ত লেফটেন্যান্ট গভর্নর যেন প্রশাসন, আমলাতন্ত্র এবং জমি সংক্রান্ত বড় সিদ্ধান্ত না নেন। তাদের মতে, এই সময়সীমার মধ্যে কোনো বড় পরিবর্তন হলে তা স্থানীয় স্বার্থের বিরুদ্ধে যেতে পারে।লাদাখের মানুষের দাবিগুলো শুধু রাজনৈতিক নয়। হিমালয়ের এই অঞ্চলে পরিবেশ অত্যন্ত সংবেদনশীল। জলবায়ু পরিবর্তন, পর্যটনের চাপ এবং বাইরের মানুষের আগমনের ফলে স্থানীয় সংস্কৃতি ও জীবিকা হুমকির মুখে পড়তে পারে।

তাই জমি ও প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর স্থানীয় নিয়ন্ত্রণ তাদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নতুন প্রস্তাবে এই বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকায় কিছুটা স্বস্তি মিললেও বিস্তারিত খসড়া না দেখে তারা চূড়ান্ত মতামত দিতে রাজি নন।কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এটি লাদাখের (Ladakh)জন্য বিশেষভাবে তৈরি এক মডেল।

অন্য কোনো রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়া হয়নি। সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে এটি কার্যকর করতে হবে, যার জন্য সংসদে বিশেষ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাগবে। আগামী দিনে কার্গিলে পরবর্তী বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে আরও বিস্তারিত আলোচনা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *