বাংলার শিল্পে নয়া দিগন্ত! পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগে আগ্রহী জাপানি মিতসুবিশি - 24 Ghanta Bangla News
Home

বাংলার শিল্পে নয়া দিগন্ত! পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগে আগ্রহী জাপানি মিতসুবিশি

Spread the love

কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গে জাপানি বিনিয়োগের আগ্রহ নতুন করে বাড়ছে। (Mitsubishi)জাপানের বিদেশ বিষয়ক রাষ্ট্রমন্ত্রী আয়ানো কুনিমিত্সুর নেতৃত্বে সাত সদস্যের প্রতিনিধিদল রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়ের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।…

কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গে জাপানি বিনিয়োগের আগ্রহ নতুন করে বাড়ছে। (Mitsubishi)জাপানের বিদেশ বিষয়ক রাষ্ট্রমন্ত্রী আয়ানো কুনিমিত্সুর নেতৃত্বে সাত সদস্যের প্রতিনিধিদল রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়ের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বৈঠকের পর তাপস রায় জানিয়েছেন, কয়েকটি জাপানি কোম্পানি শিগগিরই বিনিয়োগের সুযোগ খতিয়ে দেখতে বাংলায় আসবে।

এই আলোচনা বাংলা-জাপান অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর করার ইঙ্গিত দিচ্ছে।(Mitsubishi)বৈঠকে সেমিকন্ডাক্টর এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। মিতসুবিশি সেমিকন্ডাক্টর ইউনিট স্থাপনে আগ্রহ দেখিয়েছে। জাপানি মন্ত্রী দেশে ফিরে মিতসুবিশির সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলবেন বলে জানানো হয়েছে। জাপানি কোম্পানিগুলো রাজ্যের বিদ্যুৎ মিশ্রণে নবায়নযোগ্য জ্বালানির অংশ বাড়ানোর ওপরও জোর দিয়েছে।

আরও দেখুনঃ রাশিয়ায় চব্বিশতম ভারত-রাশিয়া বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে মোদী আমন্ত্রণ পুতিনের

কলকাতা ও জাপানের মধ্যে বিমান সংযোগ উন্নয়নের বিষয়ও আলোচনায় এসেছে। সরাসরি ফ্লাইট বা ট্রানজিট সুবিধা বাড়ানোর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।রাজ্য সরকার জাপানি রাষ্ট্রদূতের দিল্লিতে জাপানি কোম্পানির সিইওদের সঙ্গে মাসিক বৈঠকে প্রতিনিধি পাঠানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। এতে বাংলাকে আদর্শ বিনিয়োগ গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরা হবে। জাপানি প্রতিনিধিদল ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার অনুরোধ জানিয়েছে।

Advertisements


   


   

তাপস রায় বলেছেন, ভারতীয় কোম্পানিগুলো যখন নির্বিঘ্ন পরিবেশ চায়, (Mitsubishi)তখন জাপানি কোম্পানিগুলোর একই দাবি স্বাভাবিক।ভারত-জাপান সম্পর্কের ৭৫ বছর পূর্তি হবে ২০২৭ সালে। এই উপলক্ষে বাংলা ও জাপান যৌথভাবে কলকাতায় সাংস্কৃতিক ও খাদ্য উৎসব আয়োজনের পরিকল্পনা করছে। দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বকে আরও জোরদার করার সুযোগ এটি।পশ্চিমবঙ্গে জাপানি বিনিয়োগের ইতিহাস পুরনো।

অতীতে মিতসুবিশির মতো কোম্পানি এখানে কারখানা স্থাপন করেছিল। এখন নতুন করে সেমিকন্ডাক্টর ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে আগ্রহ দেখা দিয়েছে। রাজ্য সরকার শিল্পবান্ধব নীতি গ্রহণ করে বিনিয়োগ আকর্ষণের চেষ্টা করছে। দুর্গাপুর ও পানাগড়ের মতো এলাকায় জমি প্রস্তাব করা হয়েছে।এই আলোচনা শুধু অর্থনৈতিক নয়, সাংস্কৃতিক সম্পর্ককেও এগিয়ে নিয়ে যাবে।

জাপানি কোম্পানিগুলো যদি বাংলায় বিনিয়োগ করে, (Mitsubishi)তাহলে কর্মসংস্থান বাড়বে এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরের সুযোগ তৈরি হবে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে সহযোগিতা পরিবেশবান্ধব উন্নয়নে সাহায্য করবে।তাপস রায়ের সঙ্গে বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টা সুব্রত গুপ্ত ও শিল্প সচিব বন্দনা যাদবও উপস্থিত ছিলেন। উভয় পক্ষই ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছে। জাপানি প্রতিনিধিদল দেশে ফিরে কোম্পানিগুলোকে বাংলায় পাঠাবে। রাজ্য সরকারও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *