১৯০টি পরমাণু যুদ্ধাস্ত্র নিয়ে পাকিস্তানকে পেছনে ফেলল ভারত, শীঘ্রই টপকাবে ব্রিটেনকেও - 24 Ghanta Bangla News
Home

১৯০টি পরমাণু যুদ্ধাস্ত্র নিয়ে পাকিস্তানকে পেছনে ফেলল ভারত, শীঘ্রই টপকাবে ব্রিটেনকেও

Spread the love

নয়াদিল্লি: বিশ্বের শক্তি সমীকরণে পরমাণু অস্ত্রভাণ্ডার আরও পোক্ত করল ভারত। মার্কিন অলাভজনক নীতি গবেষণা সংস্থা ‘ফেডারেশন অব আমেরিকান সাইন্টিস্টস’ (FAS)-এর সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে ভারতের…

নয়াদিল্লি: বিশ্বের শক্তি সমীকরণে পরমাণু অস্ত্রভাণ্ডার আরও পোক্ত করল ভারত। মার্কিন অলাভজনক নীতি গবেষণা সংস্থা ‘ফেডারেশন অব আমেরিকান সাইন্টিস্টস’ (FAS)-এর সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে ভারতের হাতে প্রায় ১৯০টি পরমাণু ওয়ারহেড বা যুদ্ধাস্ত্র রয়েছে। এর ফলে প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানকে (প্রায় ১৭০টি) পিছনে ফেলে দিল ভারত। শুধু তাই নয়, যেভাবে দ্রুতগতিতে ভারতের পরমাণু শক্তি বৃদ্ধি পাচ্ছে, তাতে অচিরেই ব্রিটেনকেও (UK) ছাপিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে ওই থিঙ্ক ট্যাঙ্ক।

এফএএস-এর পরমাণু তথ্য প্রকল্পের অধিকর্তা হান্স ক্রিস্টেনসেনের লেখা ‘ইন্ডিয়াজ নিউক্লিয়ার ওয়েপন্স–২০২৬’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। সেখানে বলা হয়েছে, ভারত বর্তমানে আকাশ, স্থল ও জল-এই তিন মাধ্যম থেকেই পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম ৯টি ভিন্ন সিস্টেম পরিচালনা করছে। এর মধ্যে রয়েছে ২টি যুদ্ধবিমান, ৬টি স্থলভিত্তিক এবং ১টি সমুদ্রভিত্তিক ব্যালেস্টিক মিসাইল। এছাড়া আরও অন্তত দুটি নতুন আধুনিক ডেলিভারি সিস্টেম চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে, যা আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই সেনায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।

কতটা প্রস্তুত ভারতের ভাণ্ডার?প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ভারতের মোট ১৯০টি ওয়ারহেডের মধ্যে অন্তত ১৬০টি বর্তমানে অপারেশনাল লঞ্চার বা কার্যক্ষম ব্যবস্থার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত। বাকি ৩০টি নতুন মিসাইলের জন্য উৎপাদন পর্যায়ে রয়েছে। আন্তর্জাতিক ফিসাইল মেটেরিয়াল প্যানেলের তথ্য অনুযায়ী, ভারতের কাছে প্রায় ৭৩০ কেজি অস্ত্র তৈরির উপযোগী প্লুটোনিয়াম মজুত রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতি একটি পরমাণু ওয়ারহেড তৈরিতে প্রায় ৪ কেজি প্লুটোনিয়াম প্রয়োজন হলে, এই মজুত থেকে তাত্ত্বিকভাবে ১৪০ থেকে ২২৫টি ওয়ারহেড তৈরি করা সম্ভব।

পারমাণবিক শক্তির দিক থেকে বিশ্বের প্রথম সারির দেশগুলির তুলনায় ভারতের অবস্থান ভিন্ন হলেও এর কৌশলগত গুরুত্ব অপরিসীম। ভারত তার দীর্ঘদিনের ‘নো-ফার্স্ট-উজ’ (No-First-Use বা প্রথমে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার না করা) নীতিতেই অনড় রয়েছে। এর ফলে আকস্মিক বড় হামলার প্রস্তুতি নেওয়ার চেয়ে দেশের প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে আরও সুরক্ষিত রাখার ওপর জোর দেওয়া হয়। বিপরীত দিকে, পাকিস্তানের পরমাণু নীতিতে এই ধরনের কোনো স্পষ্ট বিধিনিষেধ নেই।

Advertisements


   


   

বিশ্বের সামগ্রিক পারমাণবিক পরিস্থিতির কথা বলতে গেলে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার কাছে বিশ্বের প্রায় ৮৬ শতাংশ পরমাণু অস্ত্র রয়েছে। রাশিয়ার হাতে রয়েছে সর্বাধিক ৫,৪২০টি এবং আমেরিকার কাছে ৫,০৪২টি ওয়ারহেড। তালিকার তৃতীয় স্থানে থাকা চিনের অস্ত্রভাণ্ডার দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬২০টিতে। এরপরেই ফ্রান্স (৩৭০) এবং যুক্তরাজ্য (২২৫)-এর অবস্থান। দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে ভারতের এই শক্তি বৃদ্ধি কৌশলগতভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা।

কী রয়েছে কেন্দ্রের প্রস্তাবিত অনুচ্ছেদ ৩৭১(কে)-তে? লাদাখ সংকটে নতুন মোড়

গালওয়ান সংঘর্ষের পর প্রথম! ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে হতে পারে মোদী- জিনপিং দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *