ফের সাফল্য কাশ্মীরে! কুপওয়ারায় গ্রেফতার হিজবুল জঙ্গি মনজুর আহমেদ
শ্রীনগর: জম্মু ও কাশ্মীরের কুপওয়ারা জেলার হান্দওয়ারায় নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে বড় সাফল্য(Manzoor Ahmad)। নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন হিজবুল মুজাহিদিনের সঙ্গে যুক্ত একটি সন্দেহভাজন ‘হাইব্রিড’ জঙ্গি মডিউল…
শ্রীনগর: জম্মু ও কাশ্মীরের কুপওয়ারা জেলার হান্দওয়ারায় নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে বড় সাফল্য(Manzoor Ahmad)। নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন হিজবুল মুজাহিদিনের সঙ্গে যুক্ত একটি সন্দেহভাজন ‘হাইব্রিড’ জঙ্গি মডিউল ফাঁস হয়েছে। অভিযানে মনজুর আহমেদ ভাট নামে এক প্রাক্তন জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর কাছ থেকে একটি চিনা-নির্মিত পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন এবং ১৬ রাউন্ড পিস্তলের গুলি উদ্ধার হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর এই অভিযান চালানো হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, হান্দওয়ারা-কুপওয়ারা এলাকায় এক প্রাক্তন (Manzoor Ahmad)জঙ্গির গতিবিধি সম্পর্কে নির্দিষ্ট তথ্য পাওয়ার পরই অভিযান শুরু করা হয়। অভিযোগ, ওই ব্যক্তি হিজবুল মুজাহিদিনের একটি মডিউলের হয়ে ‘হাইব্রিড জঙ্গি’ হিসেবে কাজ করছিলেন। খবর পাওয়ার পর হান্দওয়ারা পুলিশ, সেনাবাহিনীর ২১ রাষ্ট্রীয় রাইফেলস এবং সিআরপিএফের ৯২ ব্যাটালিয়নের জওয়ানরা যৌথভাবে হান্দওয়ারা শহরের একটি নির্দিষ্ট এলাকায় অভিযান চালান। নিরাপত্তা বাহিনীর পরিকল্পিত অভিযানের পর মনজুর আহমেদ ভাটকে আটক করা হয়।
আরও দেখুনঃ দক্ষিণ ভারতের রেল পরিবহনে ১০,০২১ কোটি অনুমোদন! এক্স হ্যান্ডেলে বার্তা প্রধানমন্ত্রীর
পুলিশের দাবি, ধৃত মনজুর আহমেদ ভাট হান্দওয়ারার ক্রুহমুরা এলাকার বাসিন্দা। (Manzoor Ahmad)তাঁর বিরুদ্ধে আগেও দুটি পৃথক মামলায় গ্রেফতার হওয়ার রেকর্ড রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। এবার তাঁর বিরুদ্ধে হান্দওয়ারা থানায় এফআইআর নম্বর ২৩২ দায়ের করা হয়েছে। কোন কোন ধারায় মামলা করা হয়েছে, তা তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে আরও স্পষ্ট হবে। আপাতত তদন্তকারীদের মূল লক্ষ্য হল, ধৃত ব্যক্তির সঙ্গে আরও কারা যুক্ত ছিলেন এবং মডিউলটির বিস্তার কতটা ছিল, তা খুঁজে বের করা।
Advertisements
এই অভিযানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনা। পুলিশ জানিয়েছে, মনজুরের কাছ থেকে চিনা-নির্মিত একটি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন এবং ১৬ রাউন্ড গুলি পাওয়া গিয়েছে। উদ্ধার হওয়া অস্ত্র ও গুলি কোথা থেকে এসেছিল, সেগুলি কোনও পুরনো অপরাধ বা জঙ্গি কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত কি না, তা খতিয়ে দেখা হতে পারে। তদন্তকারীরা একই সঙ্গে ধৃত ব্যক্তির যোগাযোগ, সম্ভাব্য সহযোগী এবং মডিউলের অন্যান্য কার্যকলাপ সম্পর্কেও তথ্য সংগ্রহ করছেন।
‘হাইব্রিড জঙ্গি’ শব্দটি নিরাপত্তা সংস্থাগুলি এমন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ব্যবহার করে, যারা সাধারণ জীবনের আড়ালে থেকে নির্দিষ্ট সময়ে জঙ্গি সংগঠনের নির্দেশে কোনও নাশকতামূলক বা হিংসাত্মক কাজ করতে পারে। তাদের অনেকেই সক্রিয় জঙ্গি হিসেবে নিরাপত্তা সংস্থার তালিকায় নাও থাকতে পারেন। ফলে এই ধরনের নেটওয়ার্ক শনাক্ত করা নিরাপত্তা বাহিনীর কাছে বিশেষ চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।