কংগ্রেসের আপত্তি উড়িয়ে ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়ার সময়ে দাঁড়িয়ে সম্মান ওমর-ফারুকের - 24 Ghanta Bangla News
Home

কংগ্রেসের আপত্তি উড়িয়ে ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়ার সময়ে দাঁড়িয়ে সম্মান ওমর-ফারুকের

Spread the love

নতুন দিল্লি/শ্রীনগর: জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ হাইকোর্টের নতুন প্রধান বিচারপতি হিসাবে জাস্টিস পুষ্পেন্দ্র সিং ভাটির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে ফের একবার সম্পূর্ণ ‘বন্দে মাতরম’ গান চলাকালীন…

নতুন দিল্লি/শ্রীনগর: জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ হাইকোর্টের নতুন প্রধান বিচারপতি হিসাবে জাস্টিস পুষ্পেন্দ্র সিং ভাটির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে ফের একবার সম্পূর্ণ ‘বন্দে মাতরম’ গান চলাকালীন সসম্মানে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেল জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ এবং ন্যাশনাল কনফারেন্স (NC) প্রধান ফারুক আবদুল্লাহকে। শ্রীনগরে একটি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে সম্পূর্ণ ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়ার ঘটনা নিয়ে শরিক দল কংগ্রেসের সঙ্গে যখন রাজনৈতিক দড়িটানাটানি তুঙ্গে, ঠিক সেই আবহেই তাঁদের এই অবস্থান বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

হাইকোর্টের ওই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের সরাসরি সম্প্রচারিত ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, অনুষ্ঠানের শুরুতে যখন জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’-এর সম্পূর্ণ সংস্করণ বাজানো হয়, তখন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ এবং তাঁর বাবা ফারুক আবদুল্লাহ উভয়েই দাঁড়িয়ে সম্মান জানান।

গত সোমবার শ্রীনগরে একটি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে সম্পূর্ণ ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়ার তীব্র আপত্তি জানায় কংগ্রেস। কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক কে সি বেণুগোপাল সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও শেয়ার করে দাবি করেন, স্বাধীনতা সংগ্রামীদের বহুত্ববাদী ও ধর্মনিরপেক্ষ দর্শনের সঙ্গে এই সম্পূর্ণ সংস্করণটি খাপ খায় না। সাম্প্রদায়িকীকরণ এড়াতেই অতীতে শুধুমাত্র সংক্ষিপ্ত সংস্করণটি গাওয়ার নিয়ম করা হয়েছিল বলে দাবি করে কংগ্রেস।

তবে কংগ্রেসের এই আপত্তির তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ন্যাশনাল কনফারেন্স সাফ জানিয়ে দেয় যে, শরিক দল হিসেবে কংগ্রেস তাদের ওপর কোনো শর্ত চাপাতে পারে না। এনসি নেতা বশির আহমেদ স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “সংবিধান বা নিয়মের বাইরে গিয়ে কাউকে কোনো কিছু চাপিয়ে দেওয়া যায় না। টুইট করার অধিকার সবার আছে, কিন্তু জোরাজুরি করা চলে না।”

Advertisements


   


   

বিজেপির আক্রমণ ও পটভূমি

অন্যদিকে, সম্পূর্ণ ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়ায় কংগ্রেসের আপত্তির কড়া সমালোচনা করেছে বিজেপি। বিজেপি নেতা আর এস পাথানিয়া কটাক্ষ করে বলেন, ভ্যালির বিচ্ছিন্নতাবাদীরাও এভাবে জাতীয় গানের বিরোধিতা করে না। চলতি বছরের শুরুতেই কেন্দ্রের পক্ষ থেকে নির্দেশিকা জারি করে বলা হয়, সমস্ত সরকারি অনুষ্ঠান, স্কুল ও দপ্তরে জাতীয় সঙ্গীতের আগে ‘বন্দে মাতরম’-এর ছটি স্তবকই সম্পূর্ণভাবে গাইতে হবে। যদিও কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটি (CWC) গত মাসেই ১৯৩৭ সালের প্রস্তাবকে সামনে রেখে দলীয় অনুষ্ঠানে শুধুমাত্র প্রথম দুটি স্তবক গাওয়ার পক্ষেই নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। সবমিলিয়ে, উপত্যকায় এই জাতীয় গান বিতর্ককে কেন্দ্র করে শরিকি দ্বন্দ্ব এখন চরমে।

৪ মাসে ২৩ জনকে ফাঁসিকাঠ অব্দি পৌঁছে দিয়ে নজির যোগী রাজ্যের জেলা বিচারক দিবাকরের

ট্রাম্পের হস্তক্ষেপে বিপদে ভারতের IT শিল্প! আটকে গেল কগনিজেন্টের গ্রিন কার্ড ফাইলিং

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *