মাফিয়ারা হুমকি দিচ্ছে, ২৩তম ফাঁসির সাজা দিয়ে বিচারক বললেন, ‘কাপুরুষ হওয়ার চেয়ে মৃত্যু ভালো’
প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালে উত্তরপ্রদেশ বিচার বিভাগে বিচারক হিসাবে যোগ দেন দিবাকর। সুলতানপুর, বদাউন, বারাণসী, বরেইলি জেলা আদালতে কাজ করেছেন তিনি। মুজফ্ফরপুর আদালতে রয়েছেন ২০২৫ সাল থেকে। ২০২২ সালে প্রথম বার সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে শিরোনামে এসেছিলেন বিচারক দিবাকর। তিনিই জ্ঞানবাপী মসজিদ চত্বরে ভিডিয়োগ্রাফিক সমীক্ষা করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। অভিযোগ, তার পরে খুনের হুমকিও পান। ২০২৪ সালের মার্চে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে প্লেটোর ‘ফিলোসফার কিং’-এর সঙ্গে তুলনা করেও বিতর্কে জড়িয়েছিলেন বিচারক দিবাকর। সম্প্রতিই একটি পরিসংখ্যান প্রকাশ্যে আসে। দেখা যায়, বিচারক গত চার মাসে ১০টি মামলায় মোট ২২ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। ঠিক তার পরেই, গত অগস্ট মাসে খুন-সহ গুরুতর অপরাধ সম্পর্কিত অন্তত ১০০টি মামলা বিচারক দিবাকরের এজলাস থেকে বিচারক বীরেন্দ্রকুমার সিংয়ের এজলাসে পাঠানো হয়।