বাগানে খলনায়ক বাস্তব, অঙ্কনদের ঘিরে নয়া আশা - 24 Ghanta Bangla News
Home

বাগানে খলনায়ক বাস্তব, অঙ্কনদের ঘিরে নয়া আশা

Spread the love

এই সময়: ব্যর্থতার কাটাছেঁড়া চলছে মোহনবাগানে। আত্মবিশ্বাসী ইস্টবেঙ্গলে শুরু হয়েছে লিগ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার প্রহর গোনা। সোমবার বারাসতে ১–১ গোল ডার্বি শেষ হলেও তারকা সমৃদ্ধ মোহনবাগানের বিরুদ্ধে দাপুটে ফুটবল খেলে দারুণ চাঙা ইস্টবেঙ্গলের বঙ্গব্রিগেড।

মঙ্গলবার এমন পরিস্থিতিতেই কলকাতা লিগের চ্যাম্পিয়নশিপ ক্রীড়াসূচি ঘোষণা করল আইএফএ। ১৯ সেপ্টেম্বরে শেষ হচ্ছে প্রিমিয়ার ডিভিশনের খেতাবি লড়াই। ১০ সেপ্টেম্বর অর্থাৎ কাল বৃহস্পতিবার ময়দানে দুই প্রধানের ম্যাচ একই সঙ্গে দেওয়া হয়েছে। ঘরের মাঠে ইস্টবেঙ্গলের প্রতিপক্ষ লালকমল ভৌমিকের ইউনাইটেড আর মোহনবাগান খেলবে নাসিম আলির কোল ইন্ডিয়ার সঙ্গে। একই সঙ্গে দুই টিমের ম্যাচ থাকলে সমর্থকদের মধ্যে ঝামেলা বাধার বিরাট সম্ভাবনা। তবে এ ব্যাপারে মঙ্গলবার সন্ধে পর্যন্ত কলকাতা পুলিশ কোনও আপত্তি জানায়নি।

চ্যাম্পিয়নশিপ নির্ধারক দুটো ম্যাচই একই সময়ে রাখা দরকার ছিল। কিন্তু মোহনবাগানের শেষ ম্যাচ ১৭ সেপ্টেম্বর মহামেডানের সঙ্গে বারাসতে। সেখানে ইস্টবেঙ্গল তাদের শেষ ম্যাচ খেলবে ১৯ সেপ্টেম্বর কোল ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে। পরিস্থিতি বুঝে এ ব্যাপারে মোহনবাগান প্রতিবাদ জানাতে পারে বলেই শোনা যাচ্ছে। মোহনবাগানের দ্বিতীয় ম্যাচ (১৩ সেপ্টেম্বর, ইউনাইটেড)। ইস্টবেঙ্গলের (১৪ সেপ্টেম্বর, মহামেডান)।

খেতাবের বড় দাবিদার ভবানীপুর ক্লাবও। চলতি লিগে ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে ভবানীপুরের পয়েন্ট সমান (২৭)। রঞ্জন চৌধুরীর প্রশিক্ষণাধীন ভবানীপুর অপরাজিতও রয়েছে। যদিও অগস্টে দলবদল শেষ হওয়ায় তাদের সেরা স্ট্রাইকার সাহিল হরিজন সহ আরও দুই ফুটবলার ক্লাব ছেড়েছেন। তবু ভবানীপুর লড়াই ছাড়ছে না।

লিগ শেষ হলেই ২২ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হতে পারে আইএফএ শিল্ড। ৬ টিমের টুর্নামেন্টে দুই প্রধানকে দুই গ্রুপে রাখা হবে। দুই গ্রুপের সেরা ফাইনালে খেলবে। ৪ অথবা ৫ অক্টোবর সেই ফাইনাল হতে পারে ডার্বি।

এ দিকে, সোমবার ডার্বিতে সেরা ফুটবলাদের নিয়ে খেলেও জিততে না পারায় মোহনবাগান শিবিরে চলছে একে অপরকে দোষারোপের পালা। খলনায়ক বানানোর চেষ্টা চলছে লিগ টিমের কোচ বাস্তব রায়কে। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, শুভাশিস ও মেহতাব বেশ খারাপ খেলা সত্ত্বেও তাঁদের পুরো ম্যাচ খেলিয়েছেন বাস্তব। মাঝমাঠে তন্ময় ক্রমাগত মিস পাশ করা সত্ত্বেও তাঁর বদলে সন্দীপ মালিককে নামানোর কথা ভাবা হয়নি। ৯৫ মিনিট পর্যন্ত বাস্তব বদল করেছেন মাত্র একজন। এমন ভারি মাঠে ফ্রেশ ফুটবলার নামানো জরুরি ছিল। শুধু কোচ নয়, অভিযোগের আঙুল সাহল, আপুইয়াদের বিরুদ্ধেও। দেশের জার্সিতে ব্রাজ়িল ম্যাচ খেলবেন বলে এঁরা নাকি পা বাঁচিয়ে খেলেছেন।

অন্য দিকে, ইস্টবেঙ্গলে সিনিয়র তারকাদের সঙ্গে সমান উচ্ছ্বাস আকাশ হেমরাম, গৌরব সাউ, তন্ময় দাস, বিজয় মুর্মুদের নিয়ে। লাল হলুদের অন্যতম শীর্ষ কর্তা দেবব্রত সরকারের মন্তব্য, ‘এই ছেলেদের আমরা তারকা বানাতে চাই। ওরা সেই পথেই এগিয়ে গেল। ডার্বিতে ওরা বুঝিয়েছে, ওরা কারও থেকে কম নয়।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *