নতুন শিক্ষাবর্ষে কড়া পদক্ষেপ! অস্ট্রিয়ায় ১৪ বছরের নিচে হিজাবে না - 24 Ghanta Bangla News
Home

নতুন শিক্ষাবর্ষে কড়া পদক্ষেপ! অস্ট্রিয়ায় ১৪ বছরের নিচে হিজাবে না

Spread the love

অস্ট্রিয়ায় নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ আইন কার্যকর হয়েছে।(hijab ban) ১৪ বছরের কম বয়সী মেয়েদের স্কুলে হিজাব, বোরকা বা যেকোনো ধরনের ইসলামি…

অস্ট্রিয়ায় নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ আইন কার্যকর হয়েছে।(hijab ban) ১৪ বছরের কম বয়সী মেয়েদের স্কুলে হিজাব, বোরকা বা যেকোনো ধরনের ইসলামি মাথা ঢাকার কাপড় পরতে নিষেধ করা হয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞা সরকারি ও বেসরকারি উভয় স্কুলেই প্রযোজ্য। সরকার বলছে, এটি মেয়েদের স্বাধীনতা ও সমতার সুরক্ষার জন্য।

সমালোচকরা বলছেন, এটি ধর্মীয় স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ এবং বৈষম্যমূলক।আইন অনুযায়ী, যদি কোনো ছাত্রী এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে, তাহলে স্কুল কর্তৃপক্ষ প্রথমে তার এবং অভিভাবকদের সঙ্গে আলোচনা করবে। বারবার লঙ্ঘন করলে জরিমানা হতে পারে, যা ১৫০ থেকে ৮০০ ইউরো পর্যন্ত। চরম ক্ষেত্রে শিশু কল্যাণ সংস্থার হস্তক্ষেপও হতে পারে।

আরও দেখুনঃ দক্ষিণ চিন সাগরে ‘ব্রহ্মোস বলয়’: চিনের বেড়াজালে কৌশলগত ফাঁদ পাতছে ভারত?

ইন্টিগ্রেশন মন্ত্রী ক্লডিয়া বাউয়ার বলেছেন, (hijab ban)হিজাব অনেক সময় নিপীড়নের প্রতীক এবং ছোটবেলা থেকে মেয়েদের নিয়ন্ত্রণের মাধ্যম।অস্ট্রিয়ার চ্যান্সেলর ক্রিশ্চিয়ান স্টকার সম্প্রতি বলেছেন, তিনি রাজনৈতিক ইসলামের বিরুদ্ধে সাংবিধানিক নিষেধাজ্ঞা চান এবং তিনি ‘ইসলামি রাষ্ট্রে’ বাস করতে চান না। এই মন্তব্য নিয়েও আলোচনা চলছে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, আইনটি লিঙ্গ সমতার প্রতি অঙ্গীকার এবং তরুণীদের স্বাধীন বিকাশের সুযোগ দেওয়ার জন্য।

Advertisements


   


   

তবে মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি সংগঠন আইজিজিও এই আইনকে মৌলিক অধিকারের লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছে এবং সাংবিধানিক আদালতে চ্যালেঞ্জ করার কথা জানিয়েছে। ২০২০ সালে অনুরূপ একটি নিষেধাজ্ঞা আদালত বাতিল করেছিল ধর্মীয় নিরপেক্ষতার নীতি লঙ্ঘনের কারণে। এবারের আইনটি সেই রায়ের কথা মাথায় রেখে তৈরি করা হয়েছে বলে সরকার দাবি করছে।

বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলো প্রতিবাদের ডাক দিয়েছে। (hijab ban)ভিয়েনাসহ কয়েকটি রাজ্যে স্কুল খোলার দিন থেকেই এই আইন কার্যকর। প্রায় ১২ হাজার মেয়েকে এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে।ইউরোপের অন্যান্য দেশেও ধর্মীয় প্রতীক নিয়ে আইন রয়েছে। ফ্রান্সে স্কুলে দৃশ্যমান ধর্মীয় প্রতীক নিষিদ্ধ। অস্ট্রিয়ার এই পদক্ষেপ সেই ধারারই অংশ। একদিকে সরকার বলছে এটি মেয়েদের ক্ষমতায়ন, অন্যদিকে সমালোচকরা বলছেন এটি সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা বাড়াতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *