সিঙ্গল হ্যান্ডেড ব্যাকহ্যান্ড গ্র্যান্ড স্লামে এখন অতীত
এই সময়: ইউএস ওপেনে কার্লোস আলকারাসকে থামানো যাচ্ছে না। কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার পথে স্পেনের তারকা আমেরিকার টমি পলকে হারালেন ৬–৪, ৬–৩, ৬–৪। আমেরিকার ফ্রান্সেস টিয়োফো ৭–৬, ৬–৪, ৭–৬ হারালেন ড্যানিল মেডভেডেভকে। সপ্তম বাছাই মেদভেদেভকে হারাতে দুরন্ত খেলেছেন টিয়াফো। আর এক আমেরিকান বেন শেল্টন ৬–২, ৬–৩, ৬–৪ হারালেন গ্রিসের স্তেফানোস সিসিপাসকে। এই হারের সঙ্গে জড়িয়ে থাকল অভিনব একটা রেকর্ড।
১৮৭৭ সালে উইম্বলডন থেকে শুরু করে এ বারের ইউএস ওপেনের আগে পর্যন্ত একজন না একজন টেনিস প্লেয়ার সব ক’টি গ্র্যান্ড স্লামে ওয়ান হ্যান্ডেড ব্যাকহ্যান্ড নিয়ে সেমিফাইনালে পৌঁছেছেন। সিসিপাসের হারে সেই রেকর্ড ভেঙে গেল। সিসিপাস বলেছেন, ‘এখন মাত্র ২–৩ শতাংশ প্লেয়ার সিঙ্গল হ্যান্ডেড ব্যাকহ্যান্ডে খেলেন। এটাই আধুনিক টেনিস হয়ে গিয়েছে। এখন যে ভাবে খেলা হচ্ছে, ওয়ান হ্যান্ডেড ব্যাকহ্যান্ড না থাকলে টেনিসের কিছু এসে যায় না।’
টেনিস ইতিহাসে যাঁরা ওয়ান হ্যান্ডেড ব্যাকহ্যান্ডে খেলতেন, তাঁদের মধ্যে আছেন রজার ফেডেরার, জন ম্যাকেনরো, স্তান ওয়ারিঙ্কা, পিট সাম্প্রাস, গুস্তাভো কুয়ের্তেন। পাওয়ার টেনিসের যুগে ওয়ান হ্যান্ডেড ব্যাকহ্যান্ড এখন স্রেফ অতীত।
মেয়েদের সিঙ্গলসে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছেছেন দুই আমেরিকান জেসিকা পেগুলা ও এমা নাভারো। আগেই কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে গিয়েছেন বিশ্বের এক নম্বর অ্যারিনা সাবালেঙ্কা। এ বার তাঁকে খেলতে হবে উইম্বলডন চ্যাম্পিয়ন লিন্ডা নস্কোভার বিরুদ্ধে। সাবালেঙ্কা বলেছেন, ‘গ্র্যান্ড স্লামে কোনও ম্যাচই সহজ হয় না। তবে এখন পর্যন্ত যে ভাবে খেলতে চেয়েছি, সে ভাবে খেলতে পারছি।’