অন্য পরিচালকদের ছবিতেও অভিনয় করতে চাই: পাভেল - 24 Ghanta Bangla News
Home

অন্য পরিচালকদের ছবিতেও অভিনয় করতে চাই: পাভেল

Spread the love

‘ছবিটার চিত্রনাট্য আমি কোভিডের পর লিখেছিলাম। লেখার পর বুম্বাদার (প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়) সঙ্গে আলোচনা করি। প্রথম থেকেই বুম্বাদা, ঋদ্ধি আর আমি ছিলাম। প্রথমে অন্য একটা বড় বাড়িতে ছবিটা শুট করার কথা ছিল। সবকিছু প্রস্তুতও হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু নানা কারণে তখন ছবিটা আর করা হয়নি। এ বার হলো,’ এক নিঃশ্বাসে বলে গেলেন পাভেল। সিনেমায় প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে এই প্রথম কাজ পাভেলের। প্রসঙ্গ উঠতেই পরিচালক বলেন, ‘সিনেমার ক্ষেত্রে অবশ্যই এটা আমার প্রথম কাজ। তবে এর আগে বুম্বাদার সঙ্গে কাজ হয়েছে। ‘অসুর’-এর ট্রেলারে বুম্বাদার কণ্ঠ ডাব করিয়েছিলাম। তাই একটা পরিচয় আগে থেকেই ছিল।’

বাংলা ছবির বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে কি যথেষ্ট আশাবাদী পাভেল? তাঁর কথায়, ‘আমি সব সময়েই আশাবাদী। এখনকার পরিস্থিতিতেও আশাবাদী থাকার মতো অনেক কারণ রয়েছে। তার উপর জিৎদা দু’বছর পর আবার কাজে ফিরেছেন। ভালো ছবি হচ্ছে, দর্শকরাও নতুন ভালো কাজের অপেক্ষায় রয়েছেন।’

Pavel

‘ডাক্তারকাকু’ সিনেমার গল্পে কি সামাজিক বার্তা রয়েছে? পরিচালক বলেন, ‘এই ছবিতে অনেক কিছু বলার আছে, শুধু চিকিৎসাক্ষেত্রের মধ্যে গল্পটা আটকে নেই। সমাজের বিভিন্ন দিককে ছুঁয়ে যাওয়ার চেষ্টা রয়েছে। এমন কোনও মানুষ নেই, যিনি কোনও না কোনও ভাবে শারীরিক, মানসিক বা মনস্তাত্ত্বিক সমস্যার মুখোমুখি হননি। সেই জায়গা থেকেই আমার মনে হয়েছে, এই ছবির সঙ্গে অনেকেই নিজেদের মিল খুঁজে পাবেন।’

এই ছবিতে পরিচালনার পাশাপাশি অভিনয়ও করেছেন পাভেল। চিত্রনাট্য লেখার সময়েই কি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যে নিজেই অভিনয় করবেন? উত্তরে তাঁর বক্তব্য, ‘চিত্রনাট্য লেখার পরেই আমার মনে হয়েছিল, এই চরিত্রটা আমার করা উচিত। ছোটবেলায় অভিনয় করেছি, অনেক থিয়েটারও করেছি। কিন্তু সিনেমায় অভিনয় করার অভিজ্ঞতা ছিল না।’ পরিচালনার পাশাপাশি অভিনয় চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছাও রয়েছে তাঁর। পাভেলের কথায়, ‘অবশ্যই অভিনয় করতে চাই। শুধু নিজের ছবিতে নয়, অন্য পরিচালকদের ছবিতেও অভিনয় করতে চাই।’

Pavel

একইসঙ্গে পরিচালক ও অভিনেতা— দু’টি দায়িত্ব সামলানো যে সহজ ছিল না, তা স্বীকার করেন পরিচালক। ‘আমি যখন চিত্রনাট্য লিখি, তখন সব চরিত্রের সঙ্গেই এক ভাবে বেঁচে থাকি। কিন্তু নিজের জন্য একটা নির্দিষ্ট চরিত্র যখন করতে হয়, তখন প্রস্তুতিটা অন্য রকম। এতদিন অন্যদের প্রশিক্ষণ দিয়েছি। এ বার নিজেকেই প্রশিক্ষণ নিতে হয়েছে। সেটাই আমার কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল,’ স্পষ্ট বক্তব্য তাঁর।

ছবিটি তৈরির পথও খুব একটা মসৃণ ছিল না। ‘ছবিটা তৈরি করার পুরো প্রক্রিয়াটাই কঠিন ছিল। ছবির মধ্যে অনেক টানটান উত্তেজনা রয়েছে, অনেক বাধাও এসেছে। কিন্তু সেই সবকিছু পেরিয়ে ছবিটা সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি মুক্তি পাচ্ছে— এটাই একটা বড় প্রাপ্তি,’ মত পাভেলের। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের কাছ থেকে শেখার প্রসঙ্গে তাঁর সংযোজন, ‘বুম্বাদার খাদ্যাভ্যাসটা রপ্ত করতে চাই।

আর সবচেয়ে বেশি যেটা শিখতে চাই, সেটা হলো, সময় যতই বদলাক, কী ভাবে নিজের প্রাসঙ্গিকতা ধরে রাখতে হয়।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *