‘ডুব দে রে মন মোবাইলে!’ রিংটোনে নানা মত স্কুলেও
তবে আসানসোলের গড়াই রোডের বাসিন্দা, সরকারি স্কুলের ছাত্র সুবল দাসের যুক্তি, ‘বিজ্ঞান-প্রযুক্তির সঙ্গে নিজেদের মানিয়ে নিতে হবে। বিভিন্ন ক্যুইজে অংশ নিই। সেখানে মোবাইল ফোন খুব কাজ দেয়। অনেক তথ্য মেলে গুগল এবং এআই থেকে।’ রানিগঞ্জের এক হাইস্কুলের ছাত্রী শম্পিতা কর্মকারের বক্তব্য, ‘আমি সাধারণ পরিবারের মেয়ে। মোবাইল ফোন খুলে পড়াশোনার জন্য নানা তথ্য পাই। তার জন্যই প্রাইভেট টিউশনের দরকার পড়ে না।’ বাঁকুড়ার বড়জোড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের কৃষিবিজ্ঞানের শিক্ষক সায়ক গোস্বামী বলছেন, ‘মুখ্যমন্ত্রীর যুক্তি উপেক্ষা করা যাবে না। নিঃসন্দেহে মোবাইল ফোন মারফত অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মেলে। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পড়ুয়ারা তার জন্য মোবাইল ফোন ব্যবহার করছে না। সেটাই সঙ্কট তৈরি করছে।’
(তথ্য সহায়তা: রূপক মজুমদার, সূর্যকান্ত কুমার, বিশ্বদেব ভট্টাচার্য, মোহিত দাস)