‘দিশেহারা’ পড়ুয়াদের পথ দেখাবে ‘প্রজ্ঞা দিদি’
প্রজ্ঞা কথার অর্থ অভিজ্ঞ বা বুদ্ধিমান। স্কুল কর্তৃপক্ষ তিন জন ছাত্রীকে বেছে নেবেন। তাদের সঙ্গে কথা বলে প্রশাসনের কর্তারা ঠিক করবে, কে হবে ‘প্রজ্ঞা দিদি’। স্কুলের অন্য ছাত্রীদের মনের কথা জানার দায়িত্ব দেওয়া হবে তাকেই। ঝাড়গ্রাম জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলাশাসকের কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে আগামী ৯ সেপ্টেম্বর, বুধবার একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা হওয়ার কথা। ঝাড়গ্রামের জেলাশাসক আকাঙ্ক্ষা ভাস্কর বলছেন, ‘অনেক ছাত্রীই তাদের সমস্যার কথা, মনের কথা বাড়িতে জানাতে পারে না। বলতে পারে না শিক্ষকদেরও। তারা বন্ধুদের কাছে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে। এ ক্ষেত্রে ‘প্রজ্ঞা দিদি’ বিষয়টি অনায়াসে জানতে পারবে। তেমন খারাপ কিছু টের পেলে তারাই খবর পৌঁছে দেবে প্রশাসনের কর্তাদের কাছে।’ জেলাশাসক জানান, এ ছাড়াও স্কুলে আসার পথে বা পাড়ার মোড়ে ছাত্রীদের কেউ উত্ত্যক্ত করলে, অর্থাভাবে কারও পড়াশোনা আটকে গেলে, পরিবারের তরফে স্কুলে আসতে বাধা দেওয়ার বিষয়গুলোও ‘প্রজ্ঞা দিদি’রা প্রশাসনকে জানাবে।