সেপ্টেম্বর ১১ মুখোমুখি মোদী-পুতিন! ভারতের চাহিদা সু-৫৭-পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র - 24 Ghanta Bangla News
Home

সেপ্টেম্বর ১১ মুখোমুখি মোদী-পুতিন! ভারতের চাহিদা সু-৫৭-পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র

Spread the love

নয়াদিল্লি: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের (Modi Putin)দ্বিপাক্ষিক বৈঠক নির্ধারিত হয়েছে আগামী ১১ সেপ্টেম্বর। ব্রিকস সম্মেলনের প্রাক্কালে দিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য এই বৈঠককে কেন্দ্র…

নয়াদিল্লি: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের (Modi Putin)দ্বিপাক্ষিক বৈঠক নির্ধারিত হয়েছে আগামী ১১ সেপ্টেম্বর। ব্রিকস সম্মেলনের প্রাক্কালে দিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য এই বৈঠককে কেন্দ্র করে দুই দেশের সম্পর্ক নতুন মাত্রা পেতে চলেছে।

রাশিয়া ইতিমধ্যেই প্রকাশ করেছে, এই বৈঠকের আগে ভারতের বড় কিছু চাহিদা সামনে এসেছে। এর মধ্যে রয়েছে সু-৫৭ স্টেলথ ফাইটার জেটের প্রযুক্তি হস্তান্তর, নতুন পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন এবং আরও কয়েকটি কৌশলগত খাত।

ক্রেমলিনের তরফে জানানো হয়েছে, পুতিন ভারতে এসে মোদীর সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করবেন(Modi Putin )। ব্রিকস সম্মেলন ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তার আগের দিন দুই নেতার এই বৈঠক তাই বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। রাশিয়া বলেছে, ভারত সু-৫৭ বিমানের সম্পূর্ণ প্রযুক্তি চাইছে। এর মধ্যে রয়েছে সোর্স কোড, রাডার সিস্টেম, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার ব্যবস্থা এবং মিশন সফটওয়্যার।

আরও দেখুনঃ মুম্বইয়ে প্রধানমন্ত্রীর ইভেন্টের আগে ভুয়ো পিএমও আইডি সহ ধৃত ১, উদ্ধার বন্দুক

Advertisements


   


   

মস্কো ইতিমধ্যেই জানিয়েছে, তারা এই চাহিদা মেটাতে রাজি এবং কোনো বিধিনিষেধ ছাড়াই প্রযুক্তি হস্তান্তর করতে প্রস্তুত।সু-৫৭ নিয়ে আলোচনা দীর্ঘদিন ধরে চলছে। ভারতীয় বিমানবাহিনীর স্কোয়াড্রন সংখ্যা কমে যাওয়া এবং দেশীয় এএমসিএ প্রকল্পে সময় লাগার কারণে অন্তর্বর্তীকালীন সমাধান হিসেবে এই বিমানের কথা উঠেছে। রাশিয়া শুধু বিমান সরবরাহ নয়, ভারতে যৌথ উৎপাদন এবং স্থানীয়করণের প্রস্তাবও দিয়েছে।

ভারত যদি এই প্রযুক্তি পায়, তাহলে দেশীয় (Modi Putin)বিমান শিল্পের সক্ষমতা অনেকখানি বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।পারমাণবিক সহযোগিতার বিষয়টিও বৈঠকের অন্যতম প্রধান এজেন্ডা। কুডানকুলাম প্রকল্পের সফল অভিজ্ঞতার পর ভারত নতুন পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনে আগ্রহী। রাশিয়া ছোট মডুলার রিঅ্যাক্টর এবং নতুন প্রজন্মের বড় রিঅ্যাক্টর সরবরাহের প্রস্তুতি নিয়েছে।

ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা ও পরিচ্ছন্ন শক্তির লক্ষ্য পূরণে এই সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। রাশিয়ান পক্ষ জানিয়েছে, ভারতের চাহিদা অনুযায়ী নতুন প্ল্যান্ট স্থাপনের বিষয়ে আলোচনা এগোচ্ছে।এই দুই বিষয় ছাড়াও প্রতিরক্ষা, জ্বালানি, বাণিজ্য এবং প্রযুক্তি খাতে আরও কয়েকটি বিষয় আলোচনায় উঠে আসতে পারে। দুই দেশের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের বিশেষাধিকারপ্রাপ্ত কৌশলগত অংশীদারিত্বের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।

আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির জটিলতা সত্ত্বেও ভারত-রাশিয়া সম্পর্ক স্থিতিশীল রয়েছে। পুতিনের এই সফরকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষই সহযোগিতার পরিসর বাড়ানোর চেষ্টা করছে।সু-৫৭ প্রযুক্তি হস্তান্তরের বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। ভারত যদি এই প্রযুক্তি পায়, তাহলে শুধু যুদ্ধবিমানই নয়, দেশীয় মহাকাশ ও বিমান শিল্পের সক্ষমতাও বাড়বে।

স্থানীয় উৎপাদন শুরু হলে কর্মসংস্থান তৈরি হবে এবং আত্মনির্ভরতার লক্ষ্যে এগোনো সহজ হবে। রাশিয়া বলছে, তারা ভারতের সব যৌক্তিক চাহিদা মেটাতে রাজি। এর আগেও মস্কো অবাধ প্রযুক্তি হস্তান্তরের কথা বলেছে এবং যৌথ উৎপাদনের প্রস্তাব দিয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *