Delhi Building Collapse: দোকান জোড়া লাগিয়ে, তার উপরই গজিয়েছে পাঁচতলা বাড়ি! ভেঙে পড়া বহুতলে উদ্ধারকাজ চালাতে গিয়ে আঁতকে উঠছে পুরসভাই | 6 dead in Delhi Building Collapse, Adjourning Five Storey Building Built Over Joined Shops, Civic Officials Shocked - 24 Ghanta Bangla News
Home

Delhi Building Collapse: দোকান জোড়া লাগিয়ে, তার উপরই গজিয়েছে পাঁচতলা বাড়ি! ভেঙে পড়া বহুতলে উদ্ধারকাজ চালাতে গিয়ে আঁতকে উঠছে পুরসভাই | 6 dead in Delhi Building Collapse, Adjourning Five Storey Building Built Over Joined Shops, Civic Officials Shocked

Spread the love

ভেঙে পড়া বহুতলের নীচে এখনও চলছে প্রাণের খোঁজ।Image Credit: PTI

নয়া দিল্লি: বিপদ অপেক্ষাই করছিল। বৃষ্টির জল পড়তেই তাসের ঘরের মতো হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল বহুতল। রবিবার দুপুরে দক্ষিণ-পশ্চিম দিল্লিতে সত্য নিকেতন নামে একটি বহুতল ভেঙে পড়ে। এখনও পর্যন্ত ছয়জনের মৃত্য়ুর খবর মিলেছে। ধ্বংসস্তূপের নীচ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে পাঁচজনকে। এখনও ধ্বংসাবশেষের নীচে কমপক্ষে ২০-২৫ জনের আটকে থাকার আশঙ্কা।

জানা গিয়েছে, ভেঙে পড়া বহুতলটি ৩০ বছরের পুরনো। ওই বহুতলটিকে বহুদিন আগেই বিপজ্জনক বলে ঘোষণা করা হয়েছিল। বাড়ি ফাঁকা করে দেওয়ার নোটিস দেওয়া হয়েছিল। তারপরও সেটি ফাঁকা করা হয়নি। বরং পেয়িং গেস্ট হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছিল বিল্ডিংটি। একাধিক বেআইনি নির্মাণও করা হয়েছিল।

দিল্লি পুরসভা (Municipal Corporation of Delhi) জানিয়েছে, পি-১৪ সত্য নিকেতন বিল্ডিংটি ৫৫ স্কোয়ার ইয়ার্ডের উপরে অবস্থিত ছিল। ১৯৯০-র দশকে এটি তৈরি হয়েছিল। ‘গ্রাউন্ড প্লাস ওয়ান’ (G+1 unit) -র অনুমতি থাকলেও, পাঁচতলা হাঁকানো হয় বাড়িটি। ইতিমধ্যেই বাড়িমালিকের নামে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।

এদিকে, উদ্ধারকাজ চালাতে গিয়ে ভেঙে পড়া বহুতলের লাগোয়া পাঁচতলা বিল্ডিং নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। জানা গিয়েছে, ওই বহুতলটি দুটি দোকানকে মিলিয়ে তৈরি করা হয়েছিল। ওই দোকানগুলিকে ভিত বানিয়ে পাঁচতলা অবধি নির্মাণ করা হয়। বহুতলটি ধরে রাখার মতো ভিত বা পিলার- কিছুই নেই।

ইতিমধ্যেই পুরসভার তরফে সাবধানতার সঙ্গে ওই বহুতলটিকে ফাঁকা করা হয়েছে। বিপজ্জনক নোটিস দেওয়া হয়েছে। উদ্ধারকারী দল শঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে ভেঙে পড়া বহুতলের ধ্বংসাবশেষ সরাতে গেলে ওই বহুতলটিও যেকোনও মুহূর্তে ভেঙে পড়তে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *