বিলালের গোলে দুরন্ত কামব্যাক, শক্তিশালী মোহনবাগানকে আটকে দিল লাল-হলুদের ছোটরা - 24 Ghanta Bangla News
Home

বিলালের গোলে দুরন্ত কামব্যাক, শক্তিশালী মোহনবাগানকে আটকে দিল লাল-হলুদের ছোটরা

Spread the love

সায়ন সেনগুপ্ত, কলকাতা: গত আগস্টে মোহনবাগান সুপার জায়ান্টকে আটকে দিয়ে ডুরান্ড (Kolkata Derby) চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। তারপর আজ আবার শক্তিশালী সবুজ-মেরুনকে আটকে দিল লাল-হলুদের ছোটরা।…

cfl-kolkata-derby-east-bengal-hold-mohun-bagan-1-1-bilal-goal

সায়ন সেনগুপ্ত, কলকাতা: গত আগস্টে মোহনবাগান সুপার জায়ান্টকে আটকে দিয়ে ডুরান্ড (Kolkata Derby) চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। তারপর আজ আবার শক্তিশালী সবুজ-মেরুনকে আটকে দিল লাল-হলুদের ছোটরা। এক কথায় যা বিরাট পাওনা। পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী আজ বিকেলে বারাসত স্টেডিয়ামে কলকাতা ফুটবল লিগের হাইভোল্টেজ ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল ইস্টবেঙ্গল এবং মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। বলাবাহুল্য, এদিন মোহনবাগান সিনিয়র দলের প্রায় সাত ফুটবলারদের সঙ্গে করে মাঠে নামলেও ইস্টবেঙ্গল ভরসা রেখেছিল নিজেদের জুনিয়র ফুটবলারদের উপরেই।

Read English: East Bengal Hold Mohun Bagan to 1-1 Draw in CFL Kolkata Derby

প্রথমদিকে এমন সিদ্ধান্ত সবাইকে অবাক করলেও এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে যে কোনও ভুল হয়নি তা প্রমাণ করে দিল লাল-হলুদের তরুণ ফুটবলাররা। সম্পূর্ণ সময়ের শেষে ১-১ গোলের অমীমাংসিত ফলাফলে শেষ হয় এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ।‌ মোহনবাগানের হয়ে এদিন গোল পান মনবীর সিং। অন্যদিকে, ইস্টবেঙ্গলকে সমতায় ফেরান মহম্মদ বিলাল। উল্লেখ্য, এদিন ম‌্যাচের প্রথম থেকেই বল দখলের লড়াইয়ে যথেষ্ট এগিয়ে ছিল লাল-হলুদ ফুটবলাররা। ম্যাচের প্রায় ৮ মিনিটের মাথায় ফ্রি-কিক থেকে দুরন্ত শট নিয়ূ ছিলেন বিজয় মুর্মু। কিন্তু বল গোলে রাখা সম্ভব হয়নি। ২৩ মিনিটের মাথায় প্রতিপক্ষের রক্ষণে হানা দিয়েছিলেন তন্ময়।

কিন্তু গোলের দেখা মেলেনি। এসবের মাঝেই ৩৩ মিনিটের মাথায় হলুদ কার্ড দেখেন চাকু মান্ডি। ৩৬ মিনিটের মাথায় কিয়ান নাসিরি থেকে শুরু করে মনবীর সিংরা গোল তুলে নেওয়ার চেষ্টা করলেও অনবদ্য সেভ দেন গৌরব সাউ। তারপর ৩৮ মিনিটের মাথায় ইস্টবেঙ্গলের তিন ফুটবলারকে টেক্কা দিয়ে বল গোলে ঠেলে দিয়ে যান মনবীর সিং। ১-০ গোলে এগিয়ে গিয়েছিল মোহনবাগান। তারপর অতিরিক্ত ৩ মিনিট সময় সংযুক্ত করা হলেও এক গোলেই এগিয়ে ছিল দল। তারপর দ্বিতীয়ার্ধের প্রথম থেকেই অন্য ছন্দে ধরা দেয় মশাল ব্রিগেড। ৪৭ মিনিটের মাথায় বিজয় মুর্মুর শট আটকে যায়।

Advertisements


   


   

তারপর ৫৩ মিনিটের মাথায় গুরুতর চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন মনতোষ মাঝি। মিনিট আটেকের মাথায় বিজয় সাইড নেট করলেও ৬৫ মিনিটের মাথায় বিলালের অনবদ্য গোলে সমতায় ফেরে মশাল ব্রিগেড। ফলাফল গিয়ে দাঁড়ায় ১-১ গোল। ৭৯ মিনিটের মাথায় জয় বাজ ব্যবধানে বাড়িয়ে দলকে এগিয়ে দেওয়ার সুযোগ পেলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। ম্যাচের শেষ লগ্নে আপুইয়া, কিয়ানরা গোলের চেষ্টা করলেও গৌরবের দুরন্ত সেভে বল বিপদ মুক্ত হয়। তারপর অতিরিক্ত ছয় মিনিট সময়ের পরেও অপরিবর্তিত থাকে ম্যাচের ফলাফল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *